নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ১৩:৫৯, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০
আলু-পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে
ফাইল ছবি
ডিসেম্বরের শুরুতে বাজারে নতুন আলু আসার পরও দাম না কমার পেছনে ব্যবসায়ীদের নানা অজুহাত ছিল। এখন ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক দিনে কুয়াশার দাপট কিছুটা কমেছে, সে সঙ্গে কমেছে আলুর দামও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকার বাজারে নতুন আলুর দাম কমেছে কেজিতে ১০-১৫ টাকা। সেই সঙ্গে কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরাতন আলুর কেজি আগের মতো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। তবে গত সপ্তাহে দাম বেড়ে কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা হওয়া নতুন আলুর দাম কমে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় চলে এসেছে।
আলুর দামের বিষয়ে কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী আবুল শেখ বলেন, আলুর সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহে দাম একটু বেড়েছিল। এখন আবার আলুর সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে দামও কমেছে। আমাদের ধারণা কিছুদিনের মধ্যে নতুন আলুর দাম আরও কমবে।
এদিকে আলুর মতো গত সপ্তাহে দাম বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের দাম কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
পেঁয়াজের দাম কমার বিষয়ে কারওয়ানবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী নোয়াব আলী বলেন, বাজারে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে নতুন পেঁয়াজ আসছে। এ পেঁয়াজের মানও বেশ ভালো। নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। সামনে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।
আলু ও পেঁয়াজের দাম কমার মধ্যে স্বস্তি দিচ্ছে ডিম। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ৯৫ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিম এখন ৮৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
ডিমের দামের বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় এখন ডিমের সরবরাহ বেশি। ডিমের আমদানি (সরবরাহ) বেশি হওয়ায় এখন দাম কমেছে। তবে আমাদের ধারণা কিছুদিনের মধ্যে ডিমের দাম বেড়ে যাবে।
ডিমের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করে হাজীপাড়ার বাসিন্দা আলেয়া বেগম বলেন, গরুর মাংস আমাদের মতো গরিব মানুষের কপাল থেকে উঠে গেছে। ৫৮০ টাকার নিচে গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যায় না। এতো দাম দিয়ে গরুর মাংস কিনে খাওয়া সম্ভব না। মাছের দামও কম না। তাই ডিমই আমাদের মতো গরিব মানুষের ভরসা। ডিমের দাম কমলে আমরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পাই।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে শিমের দাম কিছুটা বেড়ে মানভেদে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা।
শিমের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য সবজির দাম। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। মুলা ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি পাওয়া যাচ্ছে। ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বড় লাউ। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তের (করলা) কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।
সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ানবাজারে ব্যবসায়ী মো. আলামিন বলেন, বাজারে এখন বিচি শিম আসছে। এই শিমের চাহিদা বেশি। এ কারণে দামও একটু বেশি। তবে অন্যান্য সবজির দাম বাড়েনি। সহসা সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনাও কম। বরং সামনে দাম আরও কমতে পারে।
খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী আজগর আলী বলেন, বাজারে শিম, মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শালগমের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এ কারণে ক্রেতারাও কম দামে সবজি কিনতে পারছেন। এতে আমাদের বিক্রিও বেড়েছে। মাসখানেক আগে যারা এক পোয়া (২৫০ গ্রাম), আধা কেজি করে সবজি কিনতেন এখন তারা কেজি কেজি সবজি কিনছেন।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























