ঢাকা, শুক্রবার ২৮ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৩ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ২০:৩৬, ২৮ ডিসেম্বর ২০২০

পার্বত্যাঞ্চলের শান্তিতেও তারা খুশি নয়: তথ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের শান্তি ও উন্নয়নে যারা খুশি নয়, পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিতেও তারা খুশি নয়।

তিনি বলেন, সে কারণে দেশের শান্তি বিনষ্টের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার শান্তি বিনষ্টেও তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এর বহিঃপ্রকাশ আমরা মাঝেমধ্যে দেখতে পাই। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

আজ (সোমবার) রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ট্যুর দ্য সিএইচটি মাউন্টেইন বাইক’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে পূর্ববর্তী সরকার বিশেষ করে যখন বিএনপি ও এরশাদ ক্ষমতায় ছিল, প্রকৃতপক্ষে তখন শান্তিচুক্তি করা ও বাস্তবায়নের জন্য হাতও দেয়া হয়নি। শেখ হাসিনা শান্তিচুক্তি করেছেন এবং সেটি বাস্তবায়নও করে চলেছেন। বহু শরণার্থী যারা এখানে অশান্তির কারণে দেশত্যাগী হয়েছিল তাদেরকে তিনি ফিরিয়ে এনেছেন। যারা ভিন্নপথে গিয়েছিল তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।

পুরো পার্বত্য চট্টগ্রাম বদলে গেছে এবং বাংলাদেশের অন্য এলাকার চেয়ে পার্বত্যাঞ্চলে উন্নয়নের ছোঁয়া অনেক বেশি উল্লেখ করে চট্টগ্রাম-৭ আসনের সাংসদ ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সরকারের অধিক মনযোগের ফলে তিন পার্বত্য জেলার চিত্র বদলে গেছে। এখানে মানুষের যে উন্নয়ন হয়েছে এটি সম্ভবপর হওয়ার পেছনে রয়েছে শেখ হাসিনার পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিচুক্তি করা ও তার বাস্তবায়নের মাধ্যমে এখানে শান্তি স্থাপন করা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, পার্বত্যাঞ্চলসহ পুরো চট্টগ্রামে পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সাইক্লিং ট্যুরের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের নাম এবং এখানকার ট্যুরিজমের সম্ভাবনা সমগ্র বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে। সুপরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনায় দেশে পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব সফিকুল আহম্মদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বাসন্তী চাকমা, ব্রিগেড কমান্ডার ফয়েজুর রহমান, দিঘীনালা উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বক্তব্য দেন।

করোনাভাইরাসের কারণে যখন সমস্ত কিছু স্তব্ধপ্রায়, তখন মুজিব শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে মাউন্টেইন বাইকিংয়ের আয়োজনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান তথ্যমন্ত্রী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আসক্তি ও মাদকের হিংস্র থাবা থেকে তরুণদের দূরে রাখতে সাইক্লিংসহ ব্যাপক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মকান্ড আয়োজনের বিকল্প নেই, বলেন মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, এ প্রতিযোগিতায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ হাজার ৮০০ ফুট ওপরের সাজেক থেকে রওনা হয়ে উঁচুনিচু ৩০০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে সাইকেল চালিয়ে থানচি পৌঁছান এতে অংশ নেয়া সাইক্লিস্টরা। এর আগে প্রতিয়োগিতায় অংশ নিতে আগ্রহী ৭০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৫৫ জনকে বেছে নেয়া হয়।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়