নিজস্ব প্রতিবেদক
আমাদের দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক বেশি: তথ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় বসবাস করি। এখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক বেশি। অনেকে বিশ্বাস করবেন না, অনেক উন্নত দেশেও আমাদের দেশের চেয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক কম। এখানে গণমাধ্যমে যেভাবে সংবাদ প্রকাশিত হয়, অনেক দেশেই এটি সম্ভব নয়।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী প্রধান অতিথি ছিলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রাষ্ট্রের চারটি স্তম্ভের একটি গণমাধ্যম। গণমাধ্যম যদি সঠিকভাবে কাজ করতে না পারে, তখন রাষ্ট্রের ভিত্তি নষ্ট হয়। এটি মাথায় রেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের সাথে যুক্তরা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন এবং স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন-যাপন করতে পারেন সেক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন।
সংবাদকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি, করোনাকালে দেশ যখন স্তব্ধ হয়ে গেছে, সবকিছু যখন বন্ধ ছিল তখনও রিপোর্টাররা সংবাদ সংগ্রহ করেছেন। তাদের সংবাদ সংগ্রহ বন্ধ হয়নি। করোনাকালে একটি পক্ষ সংকটময় পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করেছিল, গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেটি তারা করতে পারেনি। মূলধারার গণমাধ্যমগুলোর শক্ত অবস্থানের কারণে তাদের গুজব কিংবা মিথ্যা সংবাদ কাজে আসেনি।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নেতারা প্রতিনিয়ত সরকারের বিষোদগার করছেন। অথচ তারা বলছেন তাদের কথা বলার অধিকার নেই। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব প্রতিদিন সকাল বেলায় কড়া ভাষায় সরকারের সমালোচনা করেন। আবার সেটার সাথে প্রতিযোগিতা করে দুপুর বেলা রিজভী আহমেদ আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি চালু করেছেন। আমরা মনে করি এই সমালোচনা থাকতে হবে। সমালোচনা না থাকলে গণতন্ত্র নষ্ট হয়, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। গঠনমূলক সমালোচনা হচ্ছে বিউটি অব ডেমোক্রেসি এবং সেই সমালোচনাকে সমাদৃত করার মানসিকতা থাকতে হয়।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তারা বলেছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর ২৮ তম অর্থনীতির দেশ, ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর ২৫তম অর্থনীতির দেশ। পৃথিবীর মাত্র ২২টি দেশ করোনাকালে পজিটিভ জিডিপি গ্রোথ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ওপরের দিকে। এই পরিসংখ্যানগুলো জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। কারণ আশাহীন জাতি এগুতে পারে না। কোনও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে সেই জাতির মধ্যে আশা থাকতে হয়। জাতিকে আশান্বিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। দেশ সম্পর্কে ভালো রিপোর্টিং হয়, পৃথিবীতে পরিবেশিত হয়। সেগুলো জনগণকে জানানো আমাদের দায়িত্ব।
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা, সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, কলিম সরওয়ার প্রমুখ। এতে সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























