নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২১:০৭, ৪ জানুয়ারি ২০২১
দেশে অনুমোদন পেল অক্সফোর্ডের টিকা
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত টিকার অনুমোদন দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। ফলে ভারতের ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটের টিকা আনতে আর কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৪ জানুয়ারি) ভ্যাকসিন আমদানিতে বেক্সিমকোকে এনওসি দেয় অধিদফতর।
অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দিয়েছি। তারা চাইলে এখন ভ্যাকসিন আনতে পারবে।
করোনাভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ বাবদ মোট ৪ হাজার ৩১৪ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার টাকা সংস্থান রাখার প্রস্তাব করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ প্রকল্পের আওতায় ভ্যাকসিন কিনতে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩০ কোটি টাকা খরচ হবে। বাকি অর্থ পর্যায়ক্রমে খরচ করা হবে।
আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
এর আগে ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটকে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের রপ্তানি বন্ধের নির্দেশ দেয় ভারত সরকার। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দরিদ্র দেশগুলোকে করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজের জন্য আরো কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এতে আশঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশও। ভ্যাকসিন নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল দেশের সর্ব মহল। তবে সন্ধ্যায় বাংলাদেশ যথাসময়ে ভ্যাকসিন পাবে বলে আশ্বস্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশ যথাসময়ে করোনাভাইরাসের টিকা পাবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে করোনার টিকা দেওয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশে যথাসময়ে ভারত থেকে টিকা পাবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত যখন টিকা পাবে, বাংলাদেশকেও তখন করোনার টিকা সরবরাহ করবে সেরাম ইনস্টিটিউট।
তিনি বলেন, আমাদেরকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আমাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে সেটি পালন করা হবে। ওরা বলেছে, ভ্যাকসিনের বিষয়ে অন্য কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। কিন্তু যেহেতু একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায় অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে আলাপ করে এটা হয়েছে, কাজেই বাংলাদেশ প্রথম টিকা পাবে। কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা এখানে কার্যকর হবে না।
ভারত ও বাংলাদেশ একই সঙ্গে পাবে কিনা জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ অঙ্গীকার তারা পূরণ করবে।
চুক্তিটি দুই দেশের সরকারের মধ্যে হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, এটি আমার জানা নেই।
তিনি বলেন, টিকা যথাসময়ে আসবে, দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। স্বাস্থ্য মন্ত্রী যেভাবে বলেছেন— হয়তো এ মাসের শেষে আসবে।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























