ঢাকা, শুক্রবার ২৮ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১২ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:১৫, ৮ জানুয়ারি ২০২১
আপডেট: ১৮:১৬, ৮ জানুয়ারি ২০২১

পাচারের রুট বাংলাদেশ

হাত বদল হচ্ছিল ফ্র্যান্স থেকে আসা ১০ মিলিয়ন ডলারের সাপের বিষ 

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর রামপুরা থেকে উদ্ধার সাপের বিষগুলো ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে।  এই বিষ চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে হয়ে অন্যত্র চলে যেত। কিন্তু এর আগেই র‌্যাবের অভিযানে রামপুরার নতুন বাগ ১ নং লোহার গেট এলাকার ঘ-১ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক সাপের বিষ চোরাচালান চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- শফিকুল ইসলাম, জহিরুল হক, মজিবুর রহমান, দুলাল ও মোকলেসুর রহমান।

আজ (শুক্রবার) বিকেলে ১ নম্বর  লোহার গেট এলাকার অভিযানস্থলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-১২ উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১২ জানতে পারে রামপুরা থানার এই এলাকায় একটি চক্রের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ সাপের বিষ হাতবদল  করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আকর্ষিক অভিযান চালানো হয়। এ সময় চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ১২ পাউন্ড সন্দেহ জনক সাপের বিষ, ৬ টি টেস্টিং কিড, সিডি, একটি মেনুয়্যাল উদ্ধার করা। উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য ১০ মিলিয়ন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকা এর বাজার মূল্য ৮৪ থেকে ৮৫ কোটি টাকা।

তিনি আরো বলেন, বিষের সঙ্গে পাওয়া মেনুয়্যাল অনুযায়ী এগুলো ফ্রান্সের।  এই বিষ চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে এসেছে। এখানে লিকুইড ও ক্রিষ্টাল হিসেবে পেয়েছি। এই চক্রের সদস্যরা মূলত বাহক হিসেবে কাজ করছে। তবে আমরা এই বিষের গন্তব্য জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। 

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা জানতে পেরেছি এই বিষের বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ব্যবহার রয়েছে। পাশাপাশি মাদক ও ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। 

এগুলো  সাপের আসল বিষ কিনা বা কোন পরীক্ষা করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা যে সকল প্রমাণ পেয়েছি তাতে সাপের বিষ ধরা হচ্ছে। তবে আমরা সন্দেহজনক বিষ হিসেবে উল্লেখ করছি।

বিশেষ গোষ্ঠির ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণেই এই চক্র সাপের বিষ চোরাচালান করে থাকে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে গ্রেপ্তাররা।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়