মাসুদ হাসান, আইনিউজ
আপডেট: ১৮:২২, ১১ জুলাই ২০২১
করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু, দেশে স্বাস্থ্য ঝুঁকি চরমে
করোনায় মৃত্যুর মিছিল থামছে না। সারাদেশে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে উঠছে। মৃত্যু ও সংক্রমণের যেন প্রতিযোগিতা চলছে। একদিন মৃত্যু বেশি তো আরেকদিন সংক্রমণ বেশি। দুই পর্যায়েই রেকর্ড ভাঙাগড়া চলছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এখন কারফিউর মতো কর্মসূচি ঘোষণা করা ছাড়া বিকল্প নেই। সরকারি হিসাবেই প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে, সারা দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু। গ্রামগঞ্জে এ সংখ্যা বেশি। দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় প্রত্যেক বাড়িতে কেউ না কেউ জ্বর-কাশি ও ঠাণ্ডায় আক্রান্ত। এদের বেশির ভাগই নমুনা পরীক্ষা করাতে আগ্রহী নয়। এনিয়ে আইনিউজের বিশেষ প্রতিবেদন-
করোনার উপসর্গ নিয়ে দেশে প্রতিদিন একশোরও বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে। শুধু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯ জুলাই পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১৫৭৬ জন, যার মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়েই মারা গেছেন ১২৮২ জন, যা মোট মৃত্যুর শতকরা ৬৫ ভাগ। অর্থাৎ ১২৮২ জন মারা গেছেন পরীক্ষা না করিয়েই। চাঁদপুর জেলাতেও ৩৯৭ জনের মধ্যে ২৭০ জন মারা গেছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে, যার হার ৬৭ শতাংশ। টাঙ্গাইল, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহ, নরসিংদী ও মেহেরপুরে মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই উপসর্গ নিয়ে। বাকি জেলাগুলোর বেশিরভাগ হাসপাতাল উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর তথ্যই রাখে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার উপসর্গ দেখা দিলে পরীক্ষা ও চিকিৎসা না নেয়ায় বাড়ছে মৃত্যু।
৯ জুলাই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দৈনিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কলেজের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে তিনজন ও উপসর্গে ১৫ জন মারা গেছেন। এই উদ্বেগজনক চিত্র শুধু রামেক হাসপাতালেই নয় সারা দেশের একই অবস্থা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের তথ্যমতে, ২৬ জুন পর্যন্ত শুধু উপসর্গ নিয়েই সারা দেশে মারা গেছেন ২৪৫৩ জন। এর মধ্যে ১৯৯৪ জন পুরুষ এবং ৪৫৯ জন নারী। উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৪২ জন, খুলনা বিভাগে ৪৪৬, ঢাকা বিভাগে ৩৯৬, রাজশাহী বিভাগে ৩৬৪, বরিশাল বিভাগে ২৪৪, সিলেট বিভাগে ১০২, রংপুর বিভাগে ৯৫ ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৪ জন।
সংক্রমণ বাড়ায় চাপ বেড়েছে হাসপাতালে
বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতাল পরিচালকের দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এ হাসপাতালে করোনায় মৃত্যুর চেয়ে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আড়াইগুণ বেশি। ময়মনসিংহে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে গ্রামগঞ্জে। উপসর্গ থাকলেও অনেকে সিজনাল সর্দি-কাশি বা জ্বর ভেবে চিকিৎসা নিতে অবহেলা করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক চিকিৎসক বলছেন, প্রকৃতপক্ষে করোনায় আক্রান্তের চেয়ে করোনা উপসর্গে মৃত্যু হচ্ছে ৫ থেকে ৭ গুণ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রেকর্ড ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণে গতকাল পর্যন্ত সরকারি হিসাবে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৪ জনের। তবে এ সময়ে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও অনেক বেশি। প্রতিদিন বিভিন্ন হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মৃত্যুর বড় অংশই উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু।
করোনার উপসর্গ নিয়ে অনেকে মারা যাচ্ছেন বাড়ীতে, তাদের তথ্য থাকছে না কোথাও। নতুন করে আক্রান্তদের সংখ্যাও বাড়ছে গ্রামে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের একটি বড় অংশ এখনও থেকে যাচ্ছে পরীক্ষা নিরীক্ষার বাইরে, যা বড় ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আবার অনেক করোনা আক্রান্ত রোগী ধরে নেন তার সাধারণ জ্বর ঠান্ডা হয়েছে, দুই তিন দিনেই সেরে যাবে। একটা সময় যখন দেখে জ্বর কমছে না, কাশি বেড়ে গেছে তখন সে বাধ্য হয়ে হাসপাতালে আসে টেস্ট করাতে। ততক্ষণে পরিস্থিতি অনেক খারাপ হয়ে গেছে রোগীর। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, অক্সিজেন লেভেল অনেক নেমে গেছে, ফুসফুসের অবস্থার অবনতি হয়েছে। আইসিইউ-অক্সিজেন ছাড়া তখন কোন উপায় থাকে না।
করোনার উপসর্গ দেখা দিলেও নমুনা পরীক্ষায় আগ্রহ নেই অনেকের
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে এমন কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে যাদের কারো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি। এ ধরণের রোগীর সংস্পর্শে আসা প্রত্যেক মানুষ ঝুঁকিতে থাকেন এবং একটা পর্যায়ে ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণ রীতিমত অসম্ভব হয়ে পড়ে, যা এখন পরিলক্ষিত হচ্ছে। লাইনে দাঁড়িয়ে টেস্ট করানোর মতো শারীরিক অবস্থা অনেকের নেই। আবার উপর মহলে যোগাযোগ না থাকলে বাড়িতে এসে কেউ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করায় না।
এক্ষেত্রে টেস্টের সংখ্যা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই। বাংলাদেশে এখন যে পরিমাণ টেস্ট হচ্ছে, এই সংখ্যা আগের চাইতে বাড়লেও সেটা জনসংখ্যার অনুপাতে যথেষ্ট নয়। বর্তমানে প্রতিদিন ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টেস্ট হচ্ছে। সবচেয়ে ভালো হয় এই সংখ্যাটাকে ৭০-৮০ হাজারের বেশি নিয়ে যাওয়া। কারও মধ্যে উপসর্গ দেখা দিয়েছে কিনা, তাদের সবার টেস্ট হচ্ছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এতে কারও করোনাভাইরাস পজিটিভ থাকলে দ্রুত যেমন চিকিৎসা শুরু করা যাবে, তেমনি সংক্রমণও থামানো সহজ হবে।
বর্তমানে করোনাভাইরাস যে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে, সেক্ষেত্রে যাদের উপসর্গ আছে এমন কি যাদের উপসর্গ নেই সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা রোগী যদি কোভিডে আক্রান্ত হন এবং সেটা যদি দ্রুত শনাক্ত করা যায় তাহলে তাকে আইসোলেশনে আলাদা করে রেখে চিকিৎসা দেয়া যাবে এবং সংক্রমণও দমন করা যাবে। তাছাড়া যারা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যদি কোভিড-১৯ ধরা পড়ে তাহলে তারা সম্প্রতি যাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের খুঁজে বের করে কোয়ারেন্টিনে নেয়া জরুরি হয়ে দাঁড়ায়।
করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন
যাদের উপসর্গ আছে বা কেউ উপসর্গ নিয়ে মারা গেলে, তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্যে নমুনা সংগ্রহের আগেই অনেক পরিবার তাদের দাফন সম্পন্ন করে ফেলেন। কিন্তু এই প্রত্যেকটি মৃত্যুর কারণ বের করতে না পারলে পুরো প্রক্রিয়াটাই অপরীক্ষিত ও প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যাচ্ছে।
এদিকে আবার দেশের সব এলাকায় পরীক্ষা করানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই। তাই ঘরে বসেই প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো তারা হয়তো সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু অনেকেই পড়ছেন গভীর সংকটে, কেউ কেউ মারাও যাচ্ছেন। সর্দি-কাশি-জ্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাচ্ছেন বাড়িতেই। শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে যাওয়ায় এদের অনেককেই বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না।
এ প্রসঙ্গে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এএসএম আলমগীর বলেন, অনেক সময় দেখা যায় খুব জটিল রোগী হাসপাতালে আসার পরপরই তার চিকিৎসা শুরু করতে হয়। পাশাপাশি রোগীর নমুনা নিয়ে করোনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। ফল রিপোর্ট আসার আগেই হয়তো কারও মৃত্যু ঘটে। তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেটাকে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবেদন দেয় এবং গণমাধ্যমকেও অনেকে ওই তথ্য জানায়। যখন একই রোগীর ফল চলে আসে তখন সেটি ওই হাসপাতালে শনাক্ত হওয়া হিসাবে মৃত রোগীর তালিকায় ঢুকে যায়। আর নেগেটিভ হলেও সেটাও নেগেটিভ তালিকায় থাকে। তিনি বলেন, সমস্যা হচ্ছে যখন ওই রোগী উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বলে উল্লেখ করা হয়, ততক্ষণে সেই তথ্য গণমাধ্যমে চলে আসে।
গ্রামগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের অধিকাংশেরই নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে না। ফলে অজানা থেকে যাচ্ছে মৃত্যুর কারণ। সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে করোনা উপসর্গ নিয়ে। কেউ সর্দি-কাশি-জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাচ্ছেন বাড়িতে। মৃত্যুর পর এসব মানুষের অধিকাংশের নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে না। ফলে অজানা থেকে যাচ্ছে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। উঠে আসছেনা দেশে করোনায় মৃত্যুর প্রকৃত চিত্র।
লকডাউন কার্যকর করতে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
করোনায় উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু, তৈরি করছে ভয়ানক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। গ্রামের মানুষ ভয়ে অনেকে পরীক্ষা করাচ্ছেন না। আবার কেউ কেউ করোনাকে আমলে নিচ্ছেন না। তারা মনে করছেন, সারা দিন কঠোর পরিশ্রম করায় করোনায় তাদের কিছু হবে না। জটিলতা বাড়লে গ্রামের মানুষ যাচ্ছে হাসপাতালে। মানুষগুলোর যখন তীব্র শ্বাসকষ্ট হয় তখন তারা হাসপাতালে ছুটে আসে। অক্সিজেন লেভেল ৬৫-৭০ নিয়ে যখন তারা আসে তখন আর রোগীকে ফিরানো যায় না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানাচ্ছে, উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের অনেকেই ১২ ঘন্টার মধ্যে মারা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম এ ব্যাপারে বলেন, “উপসর্গ নিয়ে ডাক্তারের কাছে যখন রোগী আসছেন তখন তাদের অক্সিজেন সিচুরেশন ফিফটি পারসেন্টেরও নিচে থাকছে। আপনারা জানেন যে, মস্তিষ্কে অক্সিজেন সিচুরেশন যদি বেশি সময় ধরে কম থাকে তাহলে তো ব্রেন ডেথ এমনিই হয়ে যায়। আমরা উপজেলাগুলোতে সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসর্গে মারা যাওয়ার সংখ্যাটা সবসময়ই বেশি ছিল। শুধু এবারই নয়, এর আগে আরও দুই দফা দেশে যখন উচ্চমাত্রার সংক্রমণ হয়েছিল, তখনো উপসর্গে মৃত্যুর হিসাবটা এমনটাই ছিল বলে জানান করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার তথ্য পর্যবেক্ষণকারী গবেষকরা। তফাৎটা হচ্ছে, এখন যেভাবে অনেক হাসপাতাল উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করছে তখন সেটা একেবারেই হয়নি।
বাংলাদেশে এখন যেহেতু করোনাভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে অর্থাৎ কার মাধ্যমে কে আক্রান্ত হচ্ছেন সেটা সঠিকভাবে বের করা যাচ্ছে না, সেক্ষেত্রে কতো সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, সেটা বের করতে টেস্টের সংখ্যা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এছাড়া কী পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে, কিভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে, কিভাবে দ্রুত টেস্টের ফলাফল নিশ্চিত করা হচ্ছে- এ বিষয়গুলোতে নজরদারী বাড়াতে হবে। টেস্টের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ল্যাবরেটরির সংখ্যা এবং নমুনা সংগ্রহের বুথের সংখ্যা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এখনই না নিলে বাংলাদেশ মুখোমুখি হতে হবে এক কঠিনতম সময়ের।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক


























