নিজস্ব প্রতিবেদক
চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে ফের আবেদন
এর আগেও একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা প্রদানের জন্য। কিন্তু অনুমতি মেলেনি। এরমধ্যে আরও একবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশে নিয়ে যেতে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এবার আবেদন করেন খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার।
গত বৃহস্পতিবার এই আবেদন করা হয় বলে সোমবার (১৫ নভেম্বর) নিশ্চিত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব দেওয়ান মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার বেগম খালেদা জিয়ার ভাই একটি আবেদন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর। আবেদনটির বিষয়ে আইনি মতামত চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বিবিসিকে বলেন, ‘মিসেস জিয়ার এখন বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন-চিকিৎসকরা এখন এই একটাই পরামর্শ দিচ্ছেন। সেজন্য আমাদের ভাইবোনদের পক্ষ থেকে আবারও সরকারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এটাই আমাদের আবেদন সরকারের কাছে যে, তাকে (খালেদা জিয়া) চিকিৎসার জন্য যাওয়ার অনুমতি ওনারা (সরকার) যেন দেয়।’
শারীরিক নানা অসুস্থতা নিয়ে বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। গত শনিবার তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যান খালেদা জিয়া। গত বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পরিবারের আবেদনে সরকার দণ্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে বিএনপি প্রধানকে সাময়িক মুক্তি দেয়। মুক্ত থাকার সময়ে দেশে চিকিৎসা নিতে হবে এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না শর্তের কথা বলা হয়।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে বন্দি ছিলেন। প্রথমে তাকে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হলেও পরে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
স্বাস্থ্যগত অবস্থার অবনতির কথা উল্লেখ করে তার পরিবারের পক্ষ থেকে এর আগে দুইবার জামিনের আবেদন করা হয়। কিন্তু দুইবারই তা নাকচ হয়ে যায়।
২৫ মাস কারাভোগের পর করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত বছরের ২৫ মার্চ ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার দণ্ড শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।
এরপর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত চারবার দণ্ড স্থগিত করে সরকার। সবশেষ গত সেপ্টেম্বরে সেই মেয়াদ শেষে আবার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
এদিকে গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সেদিন তার বাসভবন ফিরোজায় আরও আটজন ব্যক্তিগত স্টাফও করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরে ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে।
প্রায় দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফেরার পর আবারো গত শনিবার তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই সিসিইউতে রয়েছেন।
আইনিউজ/এসডি
আইনিউজ ভিডিও
এসএসসি: সব প্রশ্ন কমন পড়েছে, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
কোথায় কত বাড়লো বাস ভাড়া
ক্ষুব্ধ ভিপু নূর, ৩ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ | গণঅধিকার পরিষদ
বাংলাদেশের বাজারে এলো করোনার মুখে খাওয়ার ক্যাপসুল
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























