ঢাকা, সোমবার   ১৫ জুন ২০২৬,   আষাঢ় ১ ১৪৩৩

আই নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:৫৪, ১৬ জানুয়ারি ২০২৪
আপডেট: ১৯:১৮, ১৬ জানুয়ারি ২০২৪

গ ণ ধ র্ষ ণে র পর হ ত্যা র অপরাধে ৫ ব্যক্তির মৃ ত্যু দ ণ্ড 

মৃ ত্যু দ ণ্ডে র আদেশ পাওয়া ৫ আসামির মধ্যে দুইজন। ছবি- সংগৃহীত

মৃ ত্যু দ ণ্ডে র আদেশ পাওয়া ৫ আসামির মধ্যে দুইজন। ছবি- সংগৃহীত

শরীয়তপুরে এক নারীকে গণধর্ষণের পর হ ত্যা করার অপরাধে পাঁচ ব্যক্তির মৃ ত্যু দ ণ্ডে র আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মৃ ত্যু দ ণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- নিজাম বালী (৪৫), মোহাম্মদ আলী (৩৫), ওমর ফারুক বেপারী (২৪), আল আমীন বেপারী (২০) ও ইব্রাহীম মোল্লা (২১)। 

আসামিরা ডামুড্যা উপজেলার দক্ষিণ সুতলকাঠীর বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরো তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়নের ভূঁইয়া বাজার এলাকার ৫৫ বছর বয়সী নারী ফিরোজা বেগম। ২১ এপ্রিল বাড়ি থেকে দশ কিলোমিটার দূরে পরিত্যক্ত ডোবা থেকে তার হাত ভাঙা ও মাথায় আঘাতের ক্ষত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন ওই নারীর ছোট ভাই লাল মিয়া সরদার বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২/৩ জনকে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে শরীয়তপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন।

আসামিদের মধ্যে পাঁচজন জড়িত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করে পুলিশ। বাকি আসামি চার্জশিট থেকে অব্যাহতি পান। পরে ২৮ এপ্রিল ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগে নিজাম বালীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। তারা ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর হত্যার কথা আদালতে স্বীকার করেন। ওই তিনজন আদালতে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আর অন্য দুই আসামি ইব্রাহিম, আল-আমীন পলাতক আছেন। আর ওমর ফারুক জামিনে গিয়ে পলাতক। এ ঘটনায় পরবর্তীকালে পুলিশ ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

নিহত ফিরোজা বেগমের ছেলে চিকিৎসক শাহ জালাল হাওলাদার বলেন, আমরা রায়ে খুশি হয়েছি। সরকারের কাছে দাবি, দ্রুত যেন এই রায় কার্যকর হয়।

শরীয়তপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট সানাল মিয়া বলেন, এ মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ে সন্তুষ্ট।

আই নিউজ/এইচএ 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়