ঢাকা, বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৩:১৮, ১২ জুলাই ২০২০
আপডেট: ০৩:২১, ১২ জুলাই ২০২০

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসছে টনের টন প্লাস্টিক ও ই-বর্জ্য

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসছে প্লাস্টিক ই-বর্জ্য, ছেড়া জাল। এসব জালের সাথে আসছে সামুদ্রিক কাছিম। কাছিমগুলোকে উদ্ধার করে আবার সমুদ্রে অবমুক্ত করতে কাজ করছে সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা কমিটির সদস্যরা।

সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের সুত্রে জানা যায়, শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল থেকে ককসবাজার সমুদ্র উপকূলের দিকে ভেসে আসতে থাকে প্লাস্টিক বর্জ্য। কিন্তু রাত বাড়ার সাথে সাথে তীরে ভেসে আসতে থাকে টনের টন প্লাস্টিক বর্জ্য সহ ছেড়া জাল।

এসব জালে পেছানো অবস্থায় সামুদ্রিক কাছিমও ভেসে আসে সৈকতে। ইতিমধ্যে দশটির অধিক সামুদ্রিক কাছিম উদ্ধার করে সাগরে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যাদের বেশিরভাগ জালে আটকে ভেসে এসেছে।

তবে এত বিপুল পরিমান জাল ও সামগ্রী কোথা থেকে আসছে তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি। সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন আই নিউজকে বিষটি নিশ্চিত করে বলেন, এত বর্জ্যগুলো কোথা থেকে এসেছে তা আমাদের জানা নেই। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা এসব বর্জের সাথে বিশেষ করে জালের সাথে আটকা পড়া কাছিমদের উদ্ধার করে সাথে সাথে অবমুক্ত করছে। সেই সাথে প্রচুর উৎসাহী মানুষ এই সব বর্জের মধ্যে মূল্যবান বা প্রয়োজনীয় জিনিষ খুঁজতে ভিড় করছে। অনেকে তা সংগ্রহ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ২০০ নটিক্যাল সমুদ্র সীমায় নেই পর্যাপ্ত নজরদারি। বিদেশী জাহাজ আমাদের জলসীমায় বর্জ্য ফেলার অভিযোগ থাকলেও সরকার কখনো তাদের সনাক্ত বা শাস্তির আওতায় আনতে পারেনি। সমুদ্র দূষণ ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আই এম ও) কনভেনশনের লঙ্ঘন। যা (আইএমও) প্রণিত ৩০ টির অধিক কনভেনশন ও ঘোষনা ৭০০ এর অধিক নির্দেশনা ও কোডের লঙ্ঘন। তাই আমাদের এখন সমুদ্র কমিশন গঠন করে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা উচিৎ।

আইনিউজ/আর/এইচকে

Green Tea
সারাবাংলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়