ঢাকা, শুক্রবার   ১০ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৫ ১৪২৭

সুনামগঞ্জে প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪:১৭, ২৯ জুন ২০২০

সুনামগঞ্জের ৬১ ইউনিয়ন বন্যা কবলিত

সুনামগঞ্জে উজানের ঢল ও বৃষ্টিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখো মানুষ। শহরে বেশিরভাগ সড়ক ৫-১০ ফুট পানির নিচে ডুবে আছে। নিচু এলাকার লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। অধিকাংশ এলাকার সড়কে এখন নৌকা চলাচল করছে।

এছাড়া সড়ক ডুবে যাওয়ায় জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর দোয়াবাজার, জামালগঞ্জ উপজেলার সরাসরি সড়ক। আবাসিক এলাকার সড়ক ডুবে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

জেলা প্রশাসনের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা যায়, সদরের ৯টি, বিশ্বম্ভরপুরের ৫টি, তাহিরপুরের ৭টি, জামালগঞ্জের ৪টি, ছাতকের ৫টি, শাল্লার একটি, দোয়ারাবাজারের ২টি, জগন্নাথপুরের ৩টি ও ধর্মপাশা উপজেলার ৪টি সহ ৬১টি ইউনিয়ন এবং ৪টি পৌরসভার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছেন। দুর্গতদের জন্য ১২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এক হাজার ১৯৪টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। ৯টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভায় ৬৬ হাজার ৮৬৯টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ৪১০ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চিড়া, মুড়ি, গুড়, বিস্কুট, দিয়াশলাই, মোমবাতি, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “শহরের ৯০ ভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে আছে। একতলা বাড়িতে বন্যার পনি প্রবেশ করেছে। শহরে ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে আড়াই হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মধ্যে শুকনো খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মোমবাতি ইত্যাদি বিতরণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন খারাপের দিকে যাচ্ছে।”

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ জানান, “ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।

আইনিউজ/টিএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়