Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, রোববার   ১৫ মার্চ ২০২৬,   চৈত্র ১ ১৪৩২

প্রকাশিত: ০৫:১৫, ২৩ মে ২০১৯
আপডেট: ০৫:১৫, ২৩ মে ২০১৯

পৌর আ.লীগের সহসভাপতিকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

বান্দরবান: বান্দরবান সদর উপজেলায় পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চথুইমং মারমাকে অপহরণ করেছে একদল সন্ত্রাসী। গতকাল বুধবার (২২ মে) রাত পৌনে নয়টার দিকে চতুইমং মারমার খামারবাড়ি থেকে তাঁকে অপহরণ করে একদল সন্ত্রাসী। গতকাল বুধবার উজিমুখ হেডম্যানপাড়ায় তাঁর খামারবাড়িতে অবস্থানকালে সেখান থেকে তাঁকে অপহরণ করা হয়। সন্ত্রাসীরা চথুইমং মারমাকে খামারবাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁর স্ত্রীও খামারবাড়িতে ছিলেন। স্বামীকে নিয়ে যেতে বাধা দিলে অপহরণকারীরা তাকেও মারধোর করেন। চথুইমং মারমার স্ত্রী জনান, সন্ত্রাসীরা খামারবাড়িতে এসে তাঁর স্বামীকে ডাকাডাকি করে। তাঁকে পেয়ে ধরে টেনেহিঁচড়ে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা চাকমা, মারমা ও বাংলা ভাষায় কথা বলছিল। তবে তিনি তাদের কাউকে চিনতে পারেননি। অন্যদিকে কুহালং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (উজিমুখ হেডম্যানপাড়া এলাকার) সদস্য অংচাহ্লা মারমা জানিয়েছেন, অপহরণকারীরা মগ পার্টি, নাকি জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র ক্যাডার, তা শনাক্ত করা যায়নি। তাঁরা সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।  চথুইমং মারমার অপহরণের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাত সাড়ে ১০টার দিকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।  মিছিলটি আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এ সময় বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা, সহসভাপতি ও বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক ও বান্দরবান পৌরসভার মেয়র ইসলাম বেবী প্রমুখ। তাঁরা পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চথুইমং মারমার অপহরণের জন্য জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করেন এবং আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার মধ্যে তাঁকে উদ্ধারের জন্য আলটিমেটাম দিয়েছেন। বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার এ ব্যাপারে জানান, চথুইমং অপহরণের ব্যাপারে জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা যেদিকে চথুইমংকে নিয়ে গেছে, সেদিকে অভিযানের দল অগ্রসর হচ্ছে। তবে অপহরণকারী কারা হতে পারে, তা শনাক্ত করা যায়নি। এইচএ/ ইএন 
Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়