Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, রোববার   ২৯ মার্চ ২০২৬,   চৈত্র ১৪ ১৪৩২

প্রতিনিধি, ইউকে

প্রকাশিত: ২৩:৪১, ২৮ মার্চ ২০২৬

বৃটেনের কার্ডিফে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

ছবি: আই নিউজ

ছবি: আই নিউজ

যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের কার্ডিফে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্টে (শহীদ মিনার) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য ওয়েলস আওয়ামী লীগ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় ওয়েলস আওয়ামী লীগ, ওয়েলস আওয়ামী যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ওয়েলস আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম এ মালিক।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন—ওয়েলস আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মর্তুজা, ওয়েলস আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ভিপি সেলিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম, ওয়েলস বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইকবাল আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ আসাদ মিয়া, ওয়েলস ছাত্রলীগের সভাপতি বদরুল হক মনসুরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামী লীগ এক ও অভিন্ন। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলার মানচিত্র। তিনি আরও বলেন, ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস—বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন।

বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি শুধু একটি রাষ্ট্রের জন্ম নয়, বরং একটি জাতির আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার দিন। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের বিনিময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা।

তাঁরা আরও বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ বাঙালির অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল। ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর সেই বিভীষিকাময় রাত থেকেই শুরু হয় প্রতিরোধের আগুন, যা ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে পূর্ণতা পায়। বক্তারা ১৯৭১ সালের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বিচার দাবি করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, অসংখ্য প্রাণের বিনিময় এবং ত্যাগের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। আর সেই বিজয়ের সূচনা হয়েছিল ২৬ মার্চ। তাই এই দিনটি কেবল একটি তারিখ নয়, এটি বাঙালির চেতনার কেন্দ্রবিন্দু।
প্রবাসে বসবাস করেও মহান স্বাধীনতা দিবসের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান বক্তারা।

ইএন/এসএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়