ঢাকা, রোববার   ১৮ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৫ ১৪২৮

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৫৫, ২ মার্চ ২০২১

আপনি কি জানেন সুস্থ থাকতে কতক্ষণ হাঁটা উচিত?

দেহ-মনের সুস্থতার জন্যে হাঁটুন

দেহ-মনের সুস্থতার জন্যে হাঁটুন

বর্তমান সময়ে আমাদের জীবন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে গেছে। শারীরিক পরিশ্রম তহ দূরের কথা ঘর থেকে বের হলেই আমাদের লাগে গাড়ি কিংবা রিকশা। অফিসে ডেক্সে বসে কম্পিউটার বা লেখালেখি, আবার বাড়ি ফিরে খেয়ে ফেসবুকিং করে বিছানায় ঘুমাতে যাওয়া। এই হচ্ছে দৈনন্দিন জীবন। আর এতেই শরীরে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ।

ডায়বেটিস, উচ্চরক্তচাপ, আথ্র্রাইটিস, ওবেসিটি বা স্থুলতা, মাংসপেশির শক্তি কমে যাওয়া, অষ্ঠিওপোরোসিস বা হাড়ের ভঙ্গুরতা। সাম্প্রতিককালের খুবই পরিচিত রোগ। আশেপাশের অনেকেই বলবেন এরকম একটি সমস্যায় ভুগছে।

তবে যত ব্যস্তই থাকুন না কেনো সুস্থ থাকতে হাঁটার বিকল্প নেই। কিন্তু কতক্ষণ হাঁটব আর কখনই বা হাঁটব? এমন প্রশ্ন থাকে অনেকের মনেই।

কত সময় হাঁটবেন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটুন। এছাড়া যদি হাঁটতে ভালো লাগে তবে হাঁটার সময়টা ১ ঘণ্টা পর্যন্তও হতে পারে। এছাড়া যারা বেশি হাঁটতে পারে না তারা ওই ৪০ মিনিট হাঁটার সময়ে ১০ মিনিটের বিরতি দিতে পারেন। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও আপনি সুস্থ থাকবেন।

তবে কখনোই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত হবে না। সকালে বা বিকালে হাঁটতে পারেন।

হাঁটার গতি কেমন থাকা উচিত?

অনেকে বুঝতে পারেন না যে, হাঁটার গতি কেমন হবে। তবে হাঁটার জন্য তেমন নির্দিষ্ট কোনো গতি নেই। প্রথমে ধীরে ধীরে হাঁটা শুরু করার পর আস্তে আস্তে গতি বাড়াতে হবে। শরীরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যতটুকু পারা যায় গতি বাড়াতে হবে।

নিয়মিত হাঁটলে যে উপকারিতা পাবেন

১. হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে। 

২. ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখে। 

৩. উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। 

৪. ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে। 

৫. হাড় ক্ষয় রোধ করে।

৬. স্মৃতি শক্তি বাড়ায়।

৭. দীর্ঘায়ু করে।

৮. বিষন্নতা দূর করে। 

দেহ-মনের সুস্থতার জন্যে জোর কদমে হাঁটা উচিত। তাই সুস্থতার আনন্দ নিয়ে হাঁটুন।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়