ঢাকা, শনিবার   ২৫ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ১২ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ১০:৩২, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
আপডেট: ১০:৩২, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত টাকা যাবে সরকারি কোষাগারে

নিজস্ব প্রতিদবেদক : স্বায়ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্বশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন- ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত ৬৮ প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা রাখার বিধান রেখে এ সংক্রান্ত একটি আইনের খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

তিনি বলেন, 'স্বায়ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্বশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন- ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান আইন, ২০১৯' এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সচিব বলেন, দেশের স্ব-শাসিত সবগুলো প্রতিষ্ঠানে তাদের নিজস্ব তহবিলে সবশেষ ব্যালেন্স আছে ২ লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এই টাকাগুলো স্থিতি হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংক অলস পড়ে আছে। এই টাকাগুলো কোন ভাল কাজে ইনভেস্ট হচ্ছে না, এজন্য সরকার এই আইনের মাধ্যমে এই অলস টাকাগুলো ব্যবহারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে।

শফিউল আলম বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই অর্থের কিছু প্রভিশন রেখে বাকি টাকা সরকারী কোষাগারে নিয়ে আসার জন্য এই আইন পাশ করা হয়েছে। এই টাকাটা জনকল্যানমূলক কাজ যেমন বিভিন্ন প্রকল্প আর্থিক সংকটে আছে, সেগুলোতে ফাইন্যান্স করা হবে। তবে তারা কিছু কারণে তাদের উদ্বৃত্ত টাকা রেখে দিতে পারবে।

কারণগুলোর মধ্যে প্রথমত, এই সংস্থাগুলো তাদের পরিচালন ব্যয় যা দিয়ে নিজস্ব অর্থায়ণে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ণের জন্য বাৎসরিক ব্যায় হিসেবে প্রয়োজনীয় অর্থ নিজস্ব তহবিলে রেখে দিতে পারবে। দ্বিতীয়ত, আপদকালীন ব্যায়ের জন্য মোট পরিচালন ব্যায়ের আরও ২৫ শতাংশ এসব প্রতিষ্ঠান রেখে দিতে পারবে। তৃতীয়ত, প্রতিষ্ঠানে বিধি মোতাবেক পেনশন এবং জিপিএস যেগুলো থাকে সেই অর্থও তারা প্রতিষ্ঠানের তহবিলে রেখে দিতে পারবে।

এসব ব্যায় নির্বাহের পরে যে অর্থ তাদের কাছে থাকে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে তাদের বিপদে পড়ার কোন কারণ নেই বলেও জানান সচিব। এ ধরণের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যার কথা উল্লেখ করে শফিউল আলম বলেন, এই তালিকার শীর্ষে আছে ২৫টি প্রতিষ্ঠান। আর মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬৮ টি। আর এসব প্রতিষ্ঠানে অলস টাকা পড়ে আছে মোট ২ লাখ ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনে উদ্বৃত্ত টাকার পরিমান ২১ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা, পেট্রোবাংলায় ১৮ হাজার ২০৪ কোটি টাকা, পিডিপিতে ১৩ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা, চট্রগ্রাম বন্দরে ৯ হাজার ৯১৩ কোটি এবং রাজউকে ৪ হাজার ৩০ কোটি টাকা বলেও জানান মোহাম্মদ শফিউল আলম।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়