ঢাকা, শুক্রবার   ২৪ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ১১ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:২৭, ১০ নভেম্বর ২০২১

‘পাহারা দিয়েও নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকানো সম্ভব নয়’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। ফাইল ছবি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। ফাইল ছবি

ঘরে ঘরে পাড়া-মহল্লায় পাহারা দিয়েও নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তিনি মনে করেন, যারা নির্বাচনে অংশ নেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যারা আছেন তারা সহনশীলতা দেখালে এবং আচরণবিধি মেনে চললে সহিংসতা ঠেকানো সম্ভব।

বুধবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ৮৯তম কমিশন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন নুরুল হুদা। দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতার ঘটনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

নুরুল হুদা বলেন, ‘পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যার যার দায়িত্ব সে সে পালন করছে। বিশেষ করে তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে। সহিংসতার ঘটনা ঘটে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অজান্তে।

সিইসি বলেন, সহিংসতার দায় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অনেক ঘটনা ঘটে এলাকাভিত্তিক। বংশে-বংশে দ্বন্দ্ব; রাস্তার এপার-ওপার দ্বন্দ্ব; এছাড়াও পূর্ব শত্রুতা বা দলীয় কোন্দলের কারণেও সহিংসতা হয়। সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, পূর্ব শত্রুতার জেরে সহিংসতা হয়েছে। যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন তাদের যদি সহনশীল ভূমিকা থাকে তাহলে আমাদের এত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকের দরকার হয় না। আমাদের এত তৎপরতার দরকার হয় না।

সিইসি বলেন, বাস্তবতা হলো এ জাতীয় ঘটনা পাহারা দিয়ে ঠেকানো যায় না। ঘরে ঘরে, মহল্লায় মহল্লায় পুলিশি পাহারা দিয়ে এ জাতীয় সহিংসতা ঠেকানো যায় না।

নুরুল হুদা আরও বলেন, আমি প্রথমেই বলেছি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার একমাত্র উপায় হলো যারা ভোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন তাদের সহনশীলতা। সুতরাং এটার দায়দায়িত্ব প্রশাসনের অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অথবা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া যায় না। এরাই দায়ী এ কথা বলার কোনো সুযোগ নেই।

ব্রিফিংকালে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও কবিতা খানম উপস্থিত ছিলেন।

আইনিউজ/এসডি

 

অকালে মারা গেলেন পুনিথ রাজকুমার, তার অর্থে চলতো ২৬ টা অনাথ আশ্রম, নিজের চোখও ডোনেট করেছিলেন

প্রকৃতির সন্তান খাসি - খাসিয়া জনগোষ্ঠী

বিভাগ হচ্ছে কুমিল্লা ও ফরিদপুর, নাম হবে পদ্মা-মেঘনা

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়