ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৩:২৭, ২২ জুন ২০২০
শের-ই-বাংলা মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে আগুন
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে চিকিৎসাধীন রোগীদের বেশীরভাগ আতংকে ওয়ার্ডের বাইরে নেমে এসেছে। তাৎক্ষণিক আগুন নিয়ন্ত্রণ হলে সবাই আবার ওয়ার্ডে ফিরে যান।
সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডের নিচতলার সুইচবোর্ডে সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
করোনা ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাস্টার আবুল কালাম জানান, রাত ৮টার দিকে করোনা ওয়ার্ডের নিচতলার সুইচবোর্ডে পরপর দুইবার শর্টসার্কিট হয়ে ফায়ার (অগ্নি স্ফুলিঙ্গ) হয়। তবে আগুন ছড়ায়নি বা কোন ওয়ার্ডেও প্রবেশ করেনি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়লে করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অনেক রোগী বাইরে নেমে আসেন। তাদের দেখাদেখি অন্যরাও ছোটাছুটি শুরু করেন। খবর পেয়ে গণপূর্ত বিভাগের বিদ্যুত বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বোর্ড মেরামতের কাজ শুরু করেন। এরপর রোগীরা আবার ওয়ার্ডে ফিরে যায়।
এদিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও তার আগেই আগুন নিভে যায়।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন জানান, করোনা ওয়ার্ডে প্রায় ৯০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের সবার গরম পানির প্রয়োজন হয়। এ কারণে তারা সবাই সেখানে বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার করেন। এক সঙ্গে অনেকে বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার করায় মিটারে চাপ নিতে পারেনি। এ কারণে মিটারের প্যানেল বোর্ডে ফায়ার সৃষ্টি হয়। তবে তাৎক্ষণিক নিভে যায়। এতে কোন ধোয়ার সৃষ্টি হয়নি। কোন কক্ষেও আগুন প্রবেশ করেনি। কোন হতাহতও হয়নি। সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
























