ঢাকা, শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ২০ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩:১৭, ২৬ জুন ২০২০

জামালপুরে বাবার কবরে শায়িত হলেন বিচারক ফেরদৌস আহমেদ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ভোলা ও লালমনিরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) ফেরদৌস আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বাবার কবরে শায়িত হলেন বিচারক ফেরদৌস আহমেদ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামালপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো: আবদুর রাজজাক এর তত্বাবধানে ইফা গঠিত জেলা কমিটি র মাধ্যমে কাফন-দাফনের কাজ সর্ম্পূন্ন করা হয়।

২৫ জুন,২০২০ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জামালপুর শহরে তার নিজ এলাকায় দেওয়ানপাড়া ট্রেনিস ক্লাব মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের কেন্দ্রীয় পৌর গোরস্থানে তাকে তার বাবার কবরেই তার মরদেহ দাফন করা হয়। জানাজায় জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি অংশ নেন।

বিচারক ফেরদৌস আহমেদ জামালপুর জিলা স্কুল ও জামালপুর পৌরসভা কার্যালয়ে নিকট আমলাপাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি জামালপুর জিলা স্কুলের সাবেক কৃতি শিক্ষার্থী ছিলেন।

উল্লেখ্য বুধবার (২৪ জুন) রাত ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিচারক ফেরদৌস আহমেদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। দেশে এটাই প্রথম কোনো বিচারকের মৃত্যু। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশে নিম্ন আদালতের কমপক্ষে ১৬ জন বিচারক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ফেরদৌস আহমেদ মারা গেলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সিএমএইচে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন বিচারক ফেরদৌস আহমেদকে প্লাজমাও দেওয়া হয়।’

এদিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মঙ্গলবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অধস্তন আদালতের ২৬ জন বিচারক ও ৯৭জন কর্মচারী (সুপ্রিম কোর্টের ২৬ জন ও অধস্তন আদালতের ৭১ জন) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিচারক ফেরদৌস আহমেদের মৃত্যুতে জামালপুরে সর্বস্তরে শোকের ছায়া নেমে আসে।

জেএ/আই নিউজ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়