ঢাকা, শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ২০ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:১৭, ৬ জুলাই ২০২০

‘মানুষ মনে করে বিএনপি আর দুর্নীতি সমার্থক শব্দ’

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বিএনপির মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি দুর্নীতিতে পরপর পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। লুটপাটের জন্যই নির্বাচন ও রাজনীতিতে জনগণের কাছে তারা প্রত্যাখ্যাত। দেশের মানুষ বিএনপি আর দুর্নীতি সমার্থক শব্দ বলে মনে করে।

সোমবার সংসদ ভবন এলাকায় নিজ সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান ও তার ব্যক্তিগত সততা দেশ-বিদেশে সমাদৃত ও প্রশংসিত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ যেই হোক, দলীয় পরিচয় হলেও তাকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না, এটাই হলো বাস্তবতা। শেখ হাসিনা সরকার শূন্য সহিষ্ণুতা নীতিতে অটল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা শতকরা ৪৪ ভাগ, আর মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৬ শতাংশ। মৃত্যুর হার যেকোনো দেশের তুলনায় কম এমনকি ইউরোপ-আমেরিকা ও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত-পাকিস্তানের চেয়েও কম। যদিও সরকার একটি মানুষেরও মৃত্যু আশা করেনি। কিন্তু বিএনপি শুধু মৃত্যুর সংখ্যাই দেখে, এতো মানুষ সুস্থ হয়ে উঠছে সেটা চোখে পড়ছে না। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যে নেতিবাচক এটাই তার প্রমাণ।

বিএনপি আজগবি তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনা সংকটে বিএনপি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন না করে চিরাচরিত নালিশের রাজনীতি আঁকড়ে ধরে আছে। এই করোনাকালেও তারা আজগবি তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। অন্ধকারে ঢিল ছুড়ছে অবিরাম। তাদের কথা শুনে মনে হয় পূর্ণিমার রাতেও অমাবস্যার অন্ধকার দেখতে পায় বিএনপি।

এ সময় বিভাজন ও বৈরিতার রাজনীতি পরিহার করে বিএনপিকে করোনা প্রতিরোধের লড়াইয়ে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

মহামারি করোনা প্রথম থেকেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন প্রায় ৭৩টি কেন্দ্রে এর পরীক্ষা করা হচ্ছে। কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যন্ত করোনা পরীক্ষার সব ক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার। জেলা পর্যায়ে কোভিড হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি রয়েছে। এরইমধ্যে দুই হাজার ডাক্তার ও পাঁচ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আরো দুই হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

প্রতিনিয়ত পরীক্ষা কেন্দ্রে বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সরকারি পর্যায়ের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ছে। একইসঙ্গে সুরক্ষা সামগ্রীও বাড়াচ্ছে সরকার। ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা ও ডাক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সমন্বিত ও দক্ষতার কারণেই এসব হচ্ছে।অথচ এ সময়ে বিএনপির কার্যক্রম শুধু বিবৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

যশোর ও বগুড়া উপ-নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটা সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। সরকারের এতে কোনো হাত নেই। করোনাকালে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে বিশ্বের অনেক দেশেই জাতীয় নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে।

আইনিউজ/এসবি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়