ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৯ ১৪৩৩

ঢাকা

প্রকাশিত: ১৫:৩৪, ২২ জুলাই ২০২০
আপডেট: ১৬:৪১, ২২ জুলাই ২০২০

দেশে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা জাতিসংঘের

বাংলাদেশে ১৯৮৮ সালের পর এ বছরের বন্যা সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছে  জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সমন্বয়কারীর দপ্তর ওসিএইচএ।

মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে ওসিএইচএ জানিয়েছে, বাড়তে থাকা বন্যার পানি সামনের মাসের আগে কমার সম্ভাবনা কম।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের হিসাবে, দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর ১০১টি পয়েন্টের মধ্যে ৪৯টি পয়েন্টে পানি বাড়ছে। আর বিপৎসীমার ওপর দিয়ে যাচ্ছে ১৬টি পয়েন্টে।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের বন্যায় এখন পর্যন্ত দেশের ১৮টি জেলার ২৪ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে অন্তত ৫৬ হাজার মানুষ। দেশে বন্যার প্রভাবে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সাইক্লোন আমফান এবং কোভিডের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, মহামারীর মতো একটি দুর্যোগের ধাক্কা সামলে ওঠার আগে চলমান বন্যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। 

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য সম্প্রতি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাকে প্রাথমিকভাবে ৫২ লাখ মার্কিন ডলারের তহবিল দিয়েছে সংস্থাটির সেন্ট্রাল ইমারজেন্সি রেসপন্স ফান্ড (সিইআরএফ)।

দেশে সাধারণত বছরে এক থেকে তিনটি বন্যা হয়ে থাকে। জুনের শেষে বা জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে যে বন্যা হয়, তা প্রায়ই এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন স্থায়ী হয়।

১৯৮৮ সালের বন্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক ও ক্ষয়ক্ষতিময় প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। ওই বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে হওয়া বন্যায় দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। স্থানভেদে এ দুরবস্থা স্থায়ী ছিল ১৫ থেকে ২০ দিন। 

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়