ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৯ ১৪৩৩

ঢাকা

প্রকাশিত: ১০:২২, ২৬ জুলাই ২০২০
আপডেট: ১১:০১, ২৬ জুলাই ২০২০

কাল ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল সোমবার ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল-২০২০ এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে বিকাল ৪টায় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন তিনি।

শনিবার (২৫ জুলাই) ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০ এর ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রাম উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা এ কথা জানান।

এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. আখতার হোসেন, ইসলামিক কো-অপারেশন ইয়ুথ ফোরামের (আইসিওয়াইএফ) প্রেসিডেন্ট তাহা আইয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকা এ বছর ওআইসি যুব রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি জাতি হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছে। আগামীকাল ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল-২০২০-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রায় সহস্রাধিক তরুণ এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে অনলাইনে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ২৫০ জন যুবক আগামী ২৭ ও ২৮ জুলাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত রিসাইলিয়েন্ট ইয়ুথ লিডারশিপ সামিটে অংশগ্রহণ করবেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, আমরা ১২ এপ্রিল ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু করোনার কারণে ওই কর্মসূচি স্থগিত করতে হয়। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে নতুন আঙ্গিকে ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটালের সব কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আশা করছি সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় মুজিববর্ষে আমরা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারব।

‘ঢাকা-ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০’-এর প্রতিপাদ্য ‘রিসাইলিয়েন্স ফর প্যারিটি অ্যান্ড প্রসপারিটি’ যা এ সংকটকালীন সময়ের কথা বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্বোধনের পর ২৭ ও ২৮ জুলাই ২ দিনব্যাপী ‘রিসেলিয়েন্ট ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট’ শিরোনামে যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে থাকবে কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতিতে যুবসমাজ এবং প্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়ে দেশ ও বিদেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে সেশন।

এছাড়া সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হবে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ও অত্যাচারিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিষয়ে বিশ্বব্যাপী যুব সম্প্রদায়কে সচেতন করা এবং মিয়ানমারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সম্মানজনক ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতকরণে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তোলা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।

আইনিউজ/টিএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়