ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৯ ১৪৩৩

ঢাকা

প্রকাশিত: ১৫:০১, ২৭ জুলাই ২০২০

ভারতের পানিতে বাংলাদেশে বন্যার সৃষ্টি : বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারত অভিন্ন নদীগুলোর সকল বাঁধ-ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানিতে বাংলাদেশের ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, মহানন্দা, পদ্মা, তিস্তা ও ধরলা নদীর অববাহিকায় ৩৪টি জেলা ইতোমধ্যেই প্লাবিত হয়েছে। কয়েকটি জেলায় ১ মাসের মধ্যে ২/৩ বার বন্যার পানি উজান থেকে এসে বাড়ি-ঘর, ফসলের খেত ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। 

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে উত্তরার নিজ বাসা থেকে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, করোনা মোকাবিলায় সরকার যেমন একবারেই ব্যর্থ, চরম উদাসীন, অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে গোটা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। ঠিক তেমনি বন্যার বিষয়েও সরকারের নীরবতা, নিষ্ক্রিয়তা, মানুষকে আতঙ্কিত করেছে। একজন মন্ত্রীতো বলেই ফেললেন ‘বন্যার বিষয়ে এতটুকুও চিন্তিত নই’।

গতকাল রোববার দলের মহাসচিবের নির্দেশে চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খানের স্বাক্ষরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে, ভারত অভিন্ন নদীগুলোর সব বাঁধ ও ব্যারাজের গেট খুলে দেয়ায় উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানি বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, মহানন্দা, পদ্মা, তিস্তা ও ধরলা নদীর অববাহিকায় ইতোমধ্যে প্রায় ৩৪টি নদী প্লাবিত হয়েছে এবং সব ক’টি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রংপুর বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগের প্রায় সব ক’টি জেলা, জামালপুর, ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ জেলা ইতোমধ্যেই বন্যাকবলিত হয়েছে এবং বেশির ভাগ নদীতেই পানি বাড়ছে। দেশের বেশির ভাগ অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্গত মানুষ অসহায় অবস্থায় বাড়ি-ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার বন্যা মোকাবেলায় একেবারেই উদাসীন। এখন পর্যন্ত কোনো উদ্ধার বা ত্রাণকার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা নেই। করোনাভাইরাসের সাথে এই বন্যা জনজীবনে ভয়াবহ দুর্যোগ সৃষ্টি করেছে।

আইনিউজ/টিএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়