ঢাকা, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৮ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৭, ২৬ আগস্ট ২০২০

ইউপি অফিস পর্যায়েও ই-নথি আনছে সরকার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

এবার ১৮ হাজার উপজেলা অফিস এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের ৪০ হাজার অফিসকেও ই-নথি ব্যবহারের আওতায় আনছে সরকার। এতে করে এসব অফিসে কমবে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য।

জানা গেছে, ই-নথির বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে কাজ হচ্ছে বলে এই সেবার স্বচ্ছতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা যায়। সময়ের মধ্যে কাজ নিষ্পন্ন করতে এই সেবা নিজেই সতর্কবার্তা দেয়। ফলে কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা তৈরি হয়।

আর ই-নথিকে বলা হচ্ছে কাগজহীন সরকারি দফতর। সরকারি কাজের গতি বাড়াতে ২০১৬ সালের মার্চ থেকে শুরু হয় ই-নথি কার্যক্রম। সেবাকে ডিজিটাল করতেই ই-নথির উদ্যোগ নেয়া হয়। 

শুরুতে সরকারের ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও দুটি বিভাগের অধীনস্থ কার্যালয়গুলোতে ই-নথির চালু করা হয়। এটি দিয়ে সরকারি কাজের গতি ও স্বচ্ছতা বেড়েছে। এজন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও এ ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। 

এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, এবার ১৮ হাজার উপজেলা অফিস এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের ৪০ হাজার অফিসেও ই-নথি ব্যবহারের আওতায় আনা হচ্ছে। ডিজিটাল সেবা জনগণের হাতের মুঠোয় এনে দিতে এবং লাল ফিতার দৌরাত্ম্যকে জাদুঘরে পাঠিয়ে প্রশাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও ই-নথি ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। 

তিনি আরো বলেন, এরইমধ্যে সরকারের ৮ হাজার ২৩৪টি দফতর ই-নথি ব্যবহার করছে। খুব দ্রুততম সময়ে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের সব জায়গায় এই ই-নথি চালু করা হবে।

জানা গেছে, ই-নথি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে সরকারের অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্তৃপক্ষ। এটুআই জানিয়েছে, ই-নথির মাধ্যমে সরকারি কাজে জবাবদিহি বাড়ছে। কাগজমুক্ত ই-নথি ব্যবস্থাপনা সময় বাঁচাচ্ছে এবং জনগণ ও সরকারকে আএরা ঘনিষ্ঠ করছে। 

নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে আবেদন, জমি–জমা, কৃষিতথ্য, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও প্রশাসনিক কাজকর্মসহ সব ক্ষেত্রে দ্রুত সেবা দেয়া যায় ই-নথি কার্যক্রমে।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়