ঢাকা, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৮ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩৯, ২৯ আগস্ট ২০২০

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত রাহাত খান

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক রাহাত খান। শনিবার (২৯ আগস্ট) বাদ জোহর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে জানাজা সম্পন্ন হয় রাহাত খানের। জানাজা শেষে সর্বস্তরের মানুষ তার মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

জানাজায় অংশ নেন- বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়েনর সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুলসহ অনেকে।

জানাজা শেষে রাহাত খানের মরদেহ নেয়া হয় তার শেষ কর্মস্থল তেজগাঁয়ের ‘প্রতিদিনের সংবাদ’ কার্যালয়ে। সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজার পর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার শেষ ঠিকানা হয় মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস করেন রাহাত খান। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন তিনি।

রাহাত খান ১৯৪০ সালের ১৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার পূর্ব জাওয়ার গ্রামের খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কথাসাহিত্যিক হিসেবে সমাদৃত হলেও কর্মসূত্রে রাহাত খান আপাদমস্তক সাংবাদিক।

১৯৭২ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ অনিশ্চিত লোকালয় প্রকাশিত হয়। তার অন্যান্য উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অমল ধবল চাকরি, ছায়াদম্পতি, শহর, হে শূন্যতা, হে অনন্তের পাখি, মধ্য মাঠের খেলোয়াড়, এক প্রিয়দর্শিনী, মন্ত্রিসভার পতন, দুই নারী, কোলাহল, ইত্যাদি।

তিনি ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়