আইনিউজ ডেস্ক
আপডেট: ০২:৩৩, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
সাংবাদিক শাহ আলমগীরের চলে যাওয়ার দিন আজ
সাংবাদিক শাহ আলমগীর
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) সাবেক মহাপরিচালক সাংবাদিক শাহ আলমগীরের চলে যাওয়ার দিন। ২০১৯ সালের এ দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
প্রাথমিক জীবন
শাহ আলমগীরের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায়। তবে বাবার চাকরির সুবাদে তার জীবনের একটি বড় অংশ কাটে ময়মনসিংহে।
শিক্ষাজীবন
ময়মনসিংহের গৌরীপুর কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন করেন শাহ আলমগীর। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। এছাড়া মস্কো ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজম থেকে সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা ও থমসন ফাউন্ডেশন পরিচালিত সাংবাদিকতায় উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেন।
এছাড়াও করাচিতে সাউথ এশিয়ান ফ্রি মিডিয়া আয়োজিত ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া বিষয়ক কর্মশালা, ফিল্ম আর্কাইভস আয়োজিত ফিল্ম অ্যাপ্রিশিয়েসন কোর্স ও ভারতের গোয়ায় ইউএনডিপি আয়োজিত ‘সাউথ এশিয়ান মিডিয়া অ্যান্ড ইটস রোল ইন এটেইনিং দ্য মিলিনিয়াম ডেভলপমন্ট গোল’ শীর্ষক সম্পাদকদের কর্মশালায় যোগ দেন তিনি।
কর্মজীবন
ছাত্রজীবন থেকেই সাংবাদিকতায় যোগ দেন শাহ আলমগীর। উপমহাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর সাপ্তাহিক কিশোর বাংলা পত্রিকায় যোগদানের মাধ্যমে সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয় তার। কিশোর বাংলা পত্রিকায় ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর তিনি দৈনিক জনতা, বাংলার বাণী, আজাদ ও সংবাদ পত্রিকায় কাজ করেন।
প্রথম আলো প্রকাশের সময় থেকেই পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন শাহ আলমগীর। ১৯৯৮ সালের নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম আলোর যুগ্ম বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর তার পদচারণ ঘটে টেলিভিশন মিডিয়ায়।
চ্যানেল আই এর প্রধান বার্তা সম্পাদক, একুশে টেলিভিশনে হেড অব নিউজ, যমুনা টেলিভিশনে পরিচালক (বার্তা) এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে বার্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ আলমগীর। এছাড়াও শিশু কল্যাণ পরিষদ এবং শিশু ও কিশোরদের জাতীয় প্রতিষ্ঠান ‘চাদের হাট’ এর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
২০১৩ সালের ৭ জুলাই শাহ আলমগীর বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পিআইবিতে যোগদানের পূর্বে এশিয়ান টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
পারিবারিক জীবন
পারিবারিক জীবনে এক পুত্র ও কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন শাহ আলমগীর। তার স্ত্রীর নাম ফৌজিয়া বেগম। ছেলে আশিকুল আলম দীপ ও মেয়ে অর্চি অনন্যা।
পুরস্কার লাভ
২০০৪ সালে রোটারি ঢাকা সাউথ ভোকেশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ও কুমিল্লা যুব সমিতি অ্যাওয়ার্ড পান শাহ আলমগীর। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে চন্দ্রাবতী স্বর্ণপদক, ২০০৬ সালে কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সাহিত্য পুরস্কার এবং ২০১৬ সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল লাইফ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন তিনি।
চির বিদায়
২০১৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহ আলমগীরকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে পরদিন তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আইনিউজ/আরআর
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক





















