নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:১৬, ৪ মার্চ ২০২১
আপডেট: ১৩:১৬, ৪ মার্চ ২০২১
আপডেট: ১৩:১৬, ৪ মার্চ ২০২১
ভূমির অবক্ষয় রোধে সমন্বিতভাবে কাজ করছে সরকার: পরিবেশ মন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, পরিকল্পনা মোতাবেক টেকসই ভূমি ব্যবহার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভূমি অবক্ষয় শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে সরকার। রিও কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মরুময়তা রোধ, ভূমির অবক্ষয় ও খরা মােকাবিলা, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, ভূমি ব্যবহার মানচিত্র হালনাগাদ করণ, ভূমি অবক্ষয়ের কারণ ও সূচক চিহ্নিতকরণ, অবক্ষয় রােধ, প্রশমন বা পূণঃব্যবহারযােগ্য করণের লক্ষ্যে টেকসই ভূমি ব্যবহারের তথ্য সৃজনে প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। সৃজিত তথ্যের ভিত্তিতে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিশ্রুত অবক্ষয় মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথচিত্র প্রণয়ন করবে।
বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকায় " এস্টাব্লিশিং ন্যাশনাল ল্যান্ড ইউজ এন্ড ল্যান্ড ডিগ্রেডেশন প্রোফাইল টুওয়ার্ড মেইনস্ট্রিমিং সাসটেইনেবল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রাকটিসেস ইন সেক্টর পলিসিস" শীর্ষক প্রকল্পের তৃতীয় অন্তর্বর্তী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৬৯ হাজার হেক্টর আবাদী জমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশে ভূমির অবক্ষয় প্রক্রিয়ার প্রশমনের সূচক বা ক্ষেত্র নির্ধারণ এবং কার্যকরী পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন পরিকল্পনার জন্য একটি সমৃদ্ধ তথ্য ভান্ডার সৃজনের কাজ চলছে। সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনিস্টিটিউট, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল এন্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে। অবক্ষয় রােধে ভূমিতে বিনিয়ােগ হলে স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এদেশের মানুষকে টিকে থাকার লড়াইয়ের সুযােগ করে দিবে যা পক্ষান্তরে জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করবে ও ভবিষ্যত উন্নয়নও টেকসই হবে।
পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, আমরা যদি বর্তমান ভূমি ব্যবস্থাপনার যুথসই পরিবর্তন না করি তবে আগামীতে ঝুঁকির মধ্যে থাকা অধিক সংখ্যক
দ্ররিদ্র মানুষের অভিবাসী হওয়া ছাড়া অন্য কোন সুযােগ থাকবে না। জীবনযাপনের অত্যাবশ্যকীয় উপাদনের চাহিদা মিটাতে আমাদের আরাে সচেতনতার সাথে ভূমির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এলক্ষ্যে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতি ও ব্যবহারের আর্থিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত উপকারীতা সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়াতে সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ কর্মসূচী, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। আলােচ্য প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা কিছু মৌলিক তথ্য পাব যার ভিত্তিতে আমরা এদেশের ভূমির অবক্ষয় মােকাবিলার ক্ষেত্র চিহ্নিত করে এগুতে পারব।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর বর আইনিউজকে জানান, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এ, কে, এম রফিক আহাম্মদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি, প্রকল্পের পরিচালক ড মুহাম্মদ সোহরাব আলী, প্রকল্পের সমন্বয়ক জালাল মো. সোয়েব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ভূমি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি কর্মশালায় মতামত ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
সর্বশেষ
জনপ্রিয়





















