ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১০ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৫২, ৪ মার্চ ২০২১
আপডেট: ২০:৫৫, ৪ মার্চ ২০২১

ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের শ্রেষ্ঠত্বে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ইভ্যালি’

দিন দিন উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি, আর সেই প্রযুক্তির ছোঁয়া বাংলাদেশে লেগেছে আরও আগেই। প্রযুক্তিনির্ভরতায় উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের মানুষ শপিং, টিকিট বুকিং থেকে শুরু করে সবকিছুই এখন করছেন অনলাইনে। তবে হ্যাঁ, এর জন্য প্রয়োজন বিশ্বস্ত ই-কমার্স প্লাটফর্ম। কারণ ই-কমার্স যত জনপ্রিয় হয়েছে ততই এর অপব্যবহার বেড়েছে। সেখানে ব্যতিক্রম ঘটিয়ে দেশের সেরা ই-কমার্স এখন ‘ইভ্যালি’।

মানুষের চাহিদা পূরণে কাজ করছে দেশিয় কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি’। সম্প্রতি ই-কমার্স ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইভ্যালিকে পুরস্কৃত করে দেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল।

এছাড়া ২০২০ সালে এশিয়া ওয়ান সাময়িকীর বাংলাদেশে দ্রুত বর্ধনশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্মাননা এবং ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাব কর্তৃক করোনাকালীন সময়ে অনবদ্য অবদানের জন্য ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ডও রয়েছে ইভ্যালির ঝুলিতে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর মাত্র ৮ জন উদ্যোক্তা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ইভ্যালি। সেই যাত্রার মাত্র দুই বছরের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটিতে এখন কাজ করছে প্রায় নয় শতাধিক কর্মী। এর মধ্যে রয়েছে অসংখ্য নারী কর্মীও। এছাড়াও দেশজুড়ে পণ্য ডেলিভারিতে ইভ্যালিতে কাজ করছে ছয় হাজারের বেশি ‘ইভ্যালি হিরো’।

প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের গণমাধ্যমকে বলেন, করোনায় মানুষ ঘরবন্দি ছিল। অনলাইনে মানুষের চাহিদা ছিল বেশি। ফলে মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সেবা নিশ্চিতে কাজ করেছে ইভ্যালি। গ্রোসারি শপ হিসেবে ইভ্যালি এক্সপ্রেস শপ ও খাবার ডেলিভারি সেবা নিশ্চিতে ই-ফুড চালু করেছি।

তিনি বলেন, করোনাকালীন সময়ে কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে কর্মী ছাঁটাই, বেতন না দেয়াসহ বিভিন্ন খবর পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু তার ঠিক বিপরীত কাজটি করেছে ইভ্যালি। অন্যান্য সময়ের চেয়ে আমরা করোনায় আরও বেশি কর্মী নিয়োগ দিয়েছি। সময়মতো বেতন পরিশোধ করেছি।

ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল গণমাধ্যমকে বলেন, শুরুতে মাত্র অল্প কজন উদ্যোক্তা নিয়ে যাত্রা শুরু করা ইভ্যালি আজ অনেকদূর এগিয়েছে। এর পেছনে অবদান ইভ্যালিকে অস্থার জায়গায় ধারণ করা গ্রাহকদের এবং ইভ্যালির কর্মীদের; যারা রাতদিন শ্রম দিয়ে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, আসলে কর্মী নিয়োগ দেয়া বিষয় নয়। বিষয় হচ্ছে তাদের কাজের স্পেস তৈরি করা এবং কাজের প্রয়জনীয় উপকরণ সরবরাহ করা। রাজধানীর মতো বাণিজ্যিক এলাকায় যেখানে সামান্য একটু খালি জায়গা পাওয়া দুরুহ, সেখানে আমাদের অফিসের স্পেস বাড়াতে হয়েছে। আগের মাত্র দেড় হাজার বর্গফুট আয়তনের অফিস এখন হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার বর্গফুট। এছাড়া করোনার শুরুর দিকে ল্যাপটপ, কম্পিউটারসহ নানা ডিজিটাল ডিভাইস আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল। তবুও গ্রাহকদের সেবা শতভাগ নিশ্চিতে কর্মীদের মাঝে আমরা এসব সরবরাহ করেছি। তবে এটুকু বলতে পারি আরও অধিক সংখ্যক তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করবে ‘ইভ্যালি’।

এদিকে, আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরে টাইগারদের স্পন্সর হয়েছে শ্রেষ্ঠ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের খ্যাতি অর্জন করা ‘ইভ্যালি’। তবে এবারই নতুন নয়। এর আগে বিপিএলে যুক্ত হয়েছিল বিসিবির সঙ্গে। এমনকি জাতীয় দলের কিট স্পন্সর হওয়ার আগেই বিসিবির সঙ্গে কাজ করেছে এই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।

আইনিউজ/আরআর

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়