ঢাকা, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:২৭, ১৩ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ১৩:৩০, ১৩ এপ্রিল ২০২১

কাল লকডাউন: গ্রাহকদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ব্যাংক

ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের লম্বা লাইন। ছবি সংগৃহীত

ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের লম্বা লাইন। ছবি সংগৃহীত

বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে কঠোরভাবে লকডাউন। বন্ধ থাকবে গণপরিবহন, সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। আজ লকডাউনের আগে ব্যাংকের শেষ কার্যদিবস। তাই গ্রাহকের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ব্যাংকগুলো। ব্যাংকের প্রতিটি বুথের সামনে দেখা যাচ্ছে লম্বা লাইন। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্রাঞ্চের ভেতরে কম লোক প্রবেশের কড়াকড়ি থাকলেও বাইরে ভিন্ন চিত্র। গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ।

ব্যাংকাররা বলছেন, ব্যাংকের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হলেও গ্রাহকরা অনেকেই তা আমলে নিচ্ছেন না। এমনকি লাইনে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের স্বাস্থ্যবিধি মানানো যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

রাজধানীর প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের সামনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। অনেকে এসেছেন টাকা তুলতে, কেউ এসেছেন চেক জমা দিতে, কেউ এফডিআরের সুদ তুলতে। অনেককে দেখা গেছে সঞ্চয়পত্র ভাঙানো ও মুনাফার টাকা তুলতে। ব্যবসার চালান জমা দিতেও ভিড় করেন কেউ কেউ।

ব্যাংকাররা বলছেন, লকডাউন, ব্যাংক বন্ধ এসব কারণ অনেকেই নগদ টাকা ঘরে রাখছেন। যে কারণে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পরিমাণ বেড়েছে।

আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের এক গ্রাহক রাকিবুল জানান, ইউটিলিটি বিল জমা দেয়ার জন্য এসেছি। সকাল সাড়ে দশটায় এসেছি। এখন ১১ টা ৮ বাজে কিন্তু এখনো এখনো লাইনে আছি কাউন্টারে পৌাঁছাতে পারেনি।

দেখা গেছে, সিটি ব্যাংকেও দীর্ঘ লাইন। সব কাউন্টারে কর্মকর্তারা যেন দশ হাতে কাজ করছে। তবুও গ্রাহক কমছে না। সিটি ব্যাংকের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, লেনদেন শূরু হয়েছে দেড় ঘন্টা হলো। কিন্তু একটুও হাত খালি নেই। একের পর এক গ্রাহক। পানি খাওয়ারও সময় পাচ্ছি না। একটু সহকর্মীদের সাথে কথা বলতে গেলে গ্রাহক উত্তেচিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি আগে দেখিনি।

কারওয়ান বাজার ওয়ান ব্যাংকে টাকা তুলতে আসা শফিকুর রহমান বলেন, সামনে সাত দিন ব্যাংক বন্ধ। পরে যদি বন্ধ আরও বেড়ে যায়, এ জন্য নগদ টাকা তুলে রাখছেন।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তুলতে আসা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আগে কখনো এমনভাবে সাত দিন ব্যাংক বন্ধ হয়নি। ভেবেছি, কঠোর বিধিনিষেধ হলেও ব্যাংক সীমিত খোলা থাকবে। কিন্তু গতকাল (সোমবার) বন্ধের খবর দেখে সকালে ব্যাংক খোলার আগেই লাইনে এসে দাঁড়িয়েছি। জানি না, কখন টাকা তুলে বাসায় যেতে পারব।’

এটিএম থেকে নগদ লেনদেনের সুযোগ থাকলেও যারা একটু বেশি পরিমাণে টাকা তুলছেন তাদের ব্যাংকে আসতে হচ্ছে।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়