ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১১ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ২৭ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ১৩:৪৫, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯
আপডেট: ১৬:০০, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

শহুরে অন্ধকারে মিশে গেলো একমাত্র মানুষটি (কিশোর)!

সিলেটে শয্যাশায়ী মায়ের কাছে ছুটে আসা এক প্রবাসী বন্ধুর সাথে দেখা করে ফিরছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ আহমেদ। পথে ক্ষয়ে যাওয়া এক রোড ডিভাইডারে গাড়িটা তুলে দেন  চালক। এ সময় তিনি যেমন মানুষের নানা বিদ্রুপ মন্তব্য শুনেছেন, ঠিক তেমনি দেখা পেয়েছেন এক মানবিকবোধ সম্পন্ন কিশোরের।অভিজ্ঞতাটি লিখেছেন ফেসবুক টাইমলাইনে। পাঠকের জন্য সেটা তুলে ধরা হলো।

রাত ১১:২০। উপশহর ই ব্লকে শয্যাশায়ী মায়ের কাছে ছুটে আসা এক প্রবাসী সন্তানের (আমার বন্ধু) সাথে দেখা করে ফিরছিলাম।

পথে ক্ষয়ে যাওয়া এক রোড ডিভাইডারে গাড়িটা তুলে দিলো আমার চালক ভাইয়া।

বিব্রতকর এ পরিস্থিতিতে নেমে চালক আমি দুজনেই গাড়ী উদ্ধার গবেষণা করছিলাম চলাচলকারি মানুষের মন্তব্য শুনতে শুনতে।

আমাদের প্রায় পাঁচ সাত দিন (পাঁচ সাত মিনিট) এর গবেষণায় গলদঘর্ম অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে হঠাৎ হাজির হওয়া ১৩/১৪ বছরের এক কিশোর চালকে বললো... মামা আফনে ইষ্টাডিং দরইন আমি বাম্পারো দরিয়া তুলা দিমুনে, আর আমাকে বললো .... আফনেও দরউক্কা।

কি বুঝে চালক আসনে বসলো, আমি আর কিশোর বাম্পার ধরে গাড়ীটাকে একটু তুলে ধরতেই মুক্তি পেলাম বিব্রতকর ঐ অবস্থা থেকে।

কিশোরের লিকলিকে শরীরের কাছে আশেপাশের মন্তব্যকারী মানুষের পরাজয়ে অভিভূত আমাকে ধন্যবাদ জানাতে না দিয়ে শহুরে অন্ধকারে মিশে গেলো একমাত্র মানুষটি (কিশোর), আর আমি দেখছিলাম চলাচলকারী (মানুষ!?)দের ।

হে কিশোর, ধন্যবাদ ।

লেখকের ফেসবুক টাইলাইন থেকে লেখাটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়