নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ০০:৪০, ১৩ মে ২০২১
‘এনজিও কর্মীর সাথে পরকীয়া ছিল সাবেক এসপি বাবুলের’
বাবুল আক্তার ও মাহমুদা খানম মিতু
সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের সাথে এক এনজিও কর্মীর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জেনে গিয়েছিলেন স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। বিষয়টি নিয়ে দুজনের দাম্পত্য কলহ চলছিল। এক পর্যায়ে বাবুল মিতুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে।
বুধবার দুপুরে বাবুল আক্তারসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।
মোশাররফ হোসেন বলেন, ২০১৩ সালে কক্সবাজারে পোস্টিং থাকাকালীন এনজিও কর্মী গায়ত্রী অমরসিংয়ের সঙ্গে বাবুলের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় মিতুর সঙ্গে বাবুলের ঝগড়া হয়। পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টাও হয়। কিন্তু তা সফল হয়নি। একপর্যায়ে বাবুল ও ওই নারী মিতুকে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মাহমুদা খানম মিতুর বাবা-মা
বাবুল আক্তার ছাড়া মিতু হত্যা মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেসামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম, সাইফুল ইসলম সিকদার ও শাহজাহান মিয়া।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়।
ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন পুলিশ সুপার ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পাঁচ বছর পর বাদীই হলেন এই হত্যার মূল আসামি।
আইনিউজ/এসডিপি
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























