আপডেট: ০৭:২২, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯
ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলা : নিহত ১০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ দামারে হুতি বিদ্রোহীদের পরিচালিত এক বন্দিশালায় সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোটের একাধিক বিমান হামলায় রবিবার কমপক্ষে ১০০ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ হয়েছেন অন্তত আরও ৬৮ জন।
হুতি বিদ্রোহীদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন বলে বিবিসি’র একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইয়েমেনে কাজ করা রেড ক্রসের প্রধান ফ্রানজ রোচেনস্টিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর জানান, নিহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বন্দিশালায় আটক ব্যক্তিদের খুব কমসংখ্যক লোকই হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন।
হামলার ভয়াবহতা প্রসঙ্গে রোচেনস্টিন বলেন, "এই বিপুল ধ্বংসের সাক্ষী হওয়া, ধ্বংসস্তুপের মাঝে লাশ পড়ে থাকতে দেখা ছিল আসলেই একটি ধাক্কা। রাগ ও দুঃখ একসাথে কাজ করছে। এর ভয়াবহতা ঠিক বলে বোঝানো সম্ভব না।"
অন্যদিকে রেড ক্রসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সেখানে প্রায় ১৭০জন বন্দি ছিলেন। তাদের মধ্যে আহত ৪০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বাকিরা সবাই মারা গেছেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।
যুদ্ধের তথ্য সংরক্ষণ করা ইয়েমেন ডাটা প্রজেক্ট জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত চলতি বছরে জোটের সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী হামলা ছিল এটি।
স্থানীয় হাসপাতালে স্ট্রেচারে শুয়ে থাকা আহত বন্দি নাজেম সালেহ বলেন, "আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। মাঝরাতে হামলা চালানো হয়। বন্দিশালাটি লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে। কারাগার চত্বরের তিনটি ভবনে কমপক্ষে সাতটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।"
ইয়েমেনি কর্মকর্তারাও জানান, রবিবারের হামলার লক্ষ্য ছিল দামার শহরের একটি কলেজ, যা হুতি বিদ্রোহীরা বন্দিশালা হিসেবে ব্যবহার করছিল।
তবে, সৌদি জোট বন্দিশালায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, তারা বিদ্রোহীদের একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সাথে সংগতি রেখে এবং বেসামরিক ব্যক্তিদের রক্ষায় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে একটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, স্কুল, হাসপাতাল ও বিয়ের অনুষ্ঠানে বিমান হামলা চালিয়ে হাজার হাজার ইয়েমেনি বেসামরিক নাগরিককে হত্যার জন্য জোট আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে রয়েছে।
ইরানের মদদ পাওয়া হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী দখল করে নেয়ার পর ২০১৫ সালের মার্চে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইয়েমেনি সরকারের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেয় সৌদি আরব। সংঘাতে লাখো মানুষ নিহত ও আরও কয়েক লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হয়েছেন। সেখানে তৈরি হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুতর মানবিক সংকট।
আইনিউজ/এইচএ
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























