ঢাকা, রোববার ০৫ জুলাই ২০২৬,   আষাঢ় ২১ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৪৭, ১৮ এপ্রিল ২০২২

আস্থার সংকট কাটিয়ে নির্বাচন করতে চাই : সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আস্থার সংকট কাটিয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে আপনাদের সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আস্থার সংকট কাটিয়ে নির্বাচন করতে চাই। 

সোমবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাওঁয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে বেলা ১১টা ৮ মিনিটে ইসির চতুর্থ সংলাপ শুরু হয়। সংলাপ শুরুর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্যে এ কথা বলেন সিইসি।

বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহীসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা সংলাপে অংশ নিয়েছেন। এর আগে, শিক্ষাবিদ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে তিন দফায় বৈঠক করে ইসি।

আরও পড়ুন- মে থেকে শাহজালালে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা করবে

সিইসি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ করছি। এরই ধারাবাহিকতায় আপনাদের মতামত ও মূল্যবান কথা শুনবো। আমরা আপনাদের মতামত নোট করে পর্যালোচনা করবো। সংলাপের মতামত নিয়েই আমরা আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ করা হবে।

সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সিইসি বলেন, সংলাপে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা এরই মধ্যে এ নিয়ে কয়েকটি মিটিং করেছি। যেহেতু বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু ইভিএমের যে সুবিধাটা সেখানে পেশিশক্তির ব্যবহার হ্রাস করতে পারে, যেখানে সিল দিয়ে ব্যালট বাক্স পূরণ করা যায় না। কাজেই ইভিএমের ভালো দিক আছে।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা ইভিএম নিয়ে স্টাডি করছি, যেটা জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেছেন। নির্বাচনে কেউ আসল, কী আসল না এটা আমাদের দায়িত্ব নয়। কেউ কেউ বলেছেন- দলগুলো যদি তাদের লোকবল দিয়েই ভারসাম্য করতে পারে, নির্বাচনে যদি দুপক্ষ থাকে, তবে দুপক্ষকে খেলতে হবে, তাহলে নির্বাচনটা ওইদিক থেকে সহজ হয়।

‘স্বচ্ছতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রের ভেতরে ক্যামেরা ও বাইরের মনিটরে দেখা যায়- এগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। এগুলো নিয়ে আমার সহকর্মীরাও বিশ্বাস করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের বিচরণ যদি থাকে, তারাও রিপোর্ট করতে পারবেন। একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য এই সমস্ত বিষয়ের প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করি। আমাদের সাধারণভাবে ওপেন হতে হবে। তথ্য দিতে হবে বলে মনে করি।

আরও পড়ুন- ভারতে এক দিনের ব্যবধানে করোনা শনাক্ত বাড়ল ৯০ শতাংশ

তিনি আরও বলেন, আমাদের সৎভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা আছে, থাকবে। ব্যাপক অনিয়মের তথ্য আমাদের কাছে আসলে সাহস নয়, আমাদের দায়িত্ব হয়ে যাবে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়ার। অনেক বিধান আমাদের অনুকূলে থাকলেও তা প্রয়োগের হার বাড়াতে হবে। নির্বাচনকে হস্তক্ষেপ মুক্ত রাখতে যা যা করতে হয়, তা তা করতে হবে।

সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, তা নিশ্চিত করা। অনেক সময় কারচুপির হয়, সেটা রোধ করতে হবে। আমরা আমাদের সামর্থ্য, দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টা করবো- যোগ করেন তিনি।

সিইসি বলেন, কে নির্বাচনে অংশ নেবে, কে নেবে না সেটা ফোর্স (জোর) করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। তবে দায়িত্ব থাকবে আহ্বান করা যে- আপনারা আসেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনে অংশ না নিলে কিন্তু গণতন্ত্র বিকশিত হবে না। গণতন্ত্র বিকশিত হয় কিন্তু নির্বাচনের মাধ্যমেই।

আইনিউজ/এসডিপি 

আইনিউজ ভিডিও 

মানসিক চাপ কমাবেন যেভাবে

বয়স পঞ্চাশের আগেই বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা

খালি পেটে ঘুমালে যেসব ক্ষতি হয়

Green Tea
সর্বশেষ