নিজস্ব প্রতিবেদক
শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবসহ সাত প্রকল্প অনুমোদন
ছবি: পিআইডি
শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনসহ (দ্বিতীয় পর্যায়) সাতটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়।
মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এসব তথ্য জানান।
অনুমোদিত সাত প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের ব্যয় হবে ৩ হাজার ৭৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৩৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে নতুন করে স্থাপন করা হবে পাঁচ হাজার ডিজিটাল ল্যাব।
চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে আইসিটি অধিদফতর। প্রকল্পের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক পরামর্শকের পেছনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কম্পিউটার ও যন্ত্রাংশ কেনাকাটা বাবদ ৬৪৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, ল্যাব ও পিআইইউ স্থাপন বাবদ ১৩৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা, কম্পিউটার সফটওয়্যার কেনা বাবদ ২৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং শিক্ষা ও শিক্ষণ উপকরণ বাবদ ১৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে। এসব ল্যাবে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান, ৩০০টি স্কুল অব ফিউচার প্রস্তুত করা, পরামর্শক ফার্ম নিয়োগ, ৩৬ হাজার ২০ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া, আইসিটি বিষয়ে ৬০টি ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি এবং কমিউনিকেটিভ ইংলিশ বিষয়ে ৮০টি ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ কেনা, ভাষাগুরু সফটওয়্যার ভার্সন-২ তৈরি, ৬৪টি সেমিনার বা কর্মশালার আয়োজন এবং বৈদেশিক ও স্থানীয় প্রশিক্ষণসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে প্রকল্পটির আওতায়।
এছাড়া ৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘রাজশাহী মহানগরীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পুনর্বাসন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। খুলনা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন’ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৩৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তুলার গবেষণা উন্নয়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
মেহেরপুর মুজিবনগর সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। একনেক সভায় ইনকাম সাপোর্ট প্রোগ্রাম ফর দ্য পুওরেস্ট প্রকল্প থেকে ৪৬০ কোটি টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পে ১২৫ কোটি টাকা কমিয়ে ৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা করা হয়েছে।
একনেক সভায় উপস্থিত ছিলেন- কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। এছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান গণভবন থেকে একনেক সভায় যুক্ত হন।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























