ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৯ ১৪৩৩

ঢাকা

প্রকাশিত: ১১:০১, ৬ আগস্ট ২০২০

ঢাকার নিম্নাঞ্চলে বন্যা

বন্যার পানি ঢুকে পড়ছে ঢাকার নিম্নাঞ্চলে বাসাবাড়িতে। দেখা দিয়েছে খাদ্য সঙ্কট ও বিশুদ্ধ পানির অভাব। বানভাসিরা খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। পানি কমলেও বন্যার্ত মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। এতে মধ্যাঞ্চলে বাড়ছে পানির চাপ। ফলে মধ্যাঞ্চলে জমা হওয়া পানি নামতে পারছে না। বিশেষ করে ঢাকা জেলাসহ রাজধানীর আশপাশের পানি গত কয়েক দিন ধরে স্থিতিশীল আছে। পানি কমার বিদ্যমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী তিন-চার দিনে বেশ কিছু জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে।

পূর্বাঞ্চলের বালু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এরই মধ্যে শহরের পূর্বাঞ্চলে বসবাসরত সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সব কিছুই পানির নিচে। ফলে নৌকা দিয়েই যোগাযোগ করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বাসা বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় ঘরের মধ্যে মাচা কিংবা নৌকায় রান্না হচ্ছে। অনেকেই বাড়ি-ঘরও ছেড়েছেন।

গত এক মাসের বেশি সময় ধরে এমন চিত্র বিরাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭০, ৭১, ৭৩ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে। সদ্য যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দাদের কাছে কোনও খাদ্য বা ত্রাণ সহায়তাও পৌঁছেনি।

 এসব ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। চারদিকে পানি আর পানি। কোথাও মাটি দেখা যাচ্ছে না। মানুষের বাসাবাড়ি, রস্তাঘাট ও দোকানপাটসহ সব কিছুই পানিতে ডুবে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পানির কারণে তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। তারা কাজে যোগ দিতে পারছেন না। বাসাবাড়ির সবজি বাগান ডুবে যাওয়ায় উপার্জনের পথও বন্ধ হয়ে গেছে। হাঁস-মুরগিসহ গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেকেই। যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থা না থাকায় শহরের সঙ্গেও তারা যোগাযোগ করতে পারছেন না। এ অবস্থায় সিটি করপোরেশন থেকেও তারা কোনও সহযোগিতা পাচ্ছেন না।

 
 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭০ নম্বর ওয়ার্ড ডেমরা। এরই এলাকার দেইল্লা, পাইটি, কায়েতপাড়া, ঠুলঠুলিয়া, খলাপাড়া, তাম্বুরাবাদ, নলছাটা, ধীৎপুর, মেন্দিপুর, আমুলিয়া ও শূন্যা টেংরা এলাকার নিম্নাঞ্চল বালু নদের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এলাকায় বসবাসরত মানুষের বাসাবাড়িতে পুনি ঢুকে পড়েছে।

আইনিউজ/টিএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়