নিজস্ব প্রতিবেদক
ত্রিমুখী প্রেমের বলি: নয় বছর পর রহস্য উদঘাটন
সংগৃহীত ছবি
দীর্ঘ ৯ বছর পর চাঞ্চল্যকর সুজন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মো. ফজলু ওরফে কুটিকে রাজধানীর মুগদা থানার জান্নাতবাগ এলাকা থেকে সোমবার গ্রেফতার করে পিবিআই।
এর আগে এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়, আছমা আক্তার ইভা, মো. আরিফুল হক ওরফে আরিফ ও মো. রানা ওরফে বাবুকে।
পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) ইউনিট ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওসমান গনি জানান, ত্রিমুখী প্রেমের ঘটনায় ২০১১ সালের ১৪ মে সুজনকে খুন করে মরদেহ গুম করা হয় খালে। ২০০৮ সালে ভিকটিম সুজনের সঙ্গে ইভার বিয়ে হয়। পরে ২০০৯ সালে ইভা সুজনকে ডিভোর্স দেয়। ডির্ভোস দেয়ার পরও সুজন প্রায় সময় ইভাকে দেখার জন্য তাদের এলাকায় আসা যাওয়া করতো। এদিকে ইভার সঙ্গে সুজনের বিয়ে হওয়ার আগেই স্থানীয় ছেলে ফাইজুল ইভাকে পছন্দ করতো। ফাইজুলের সঙ্গে ইভার বড় ভাই আরিফ বন্ধুর মতো চলাফেরা করতো। ফাইজুল বিভিন্ন সময় ইভাদের বাসায় আসা যাওয়া করতো।
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনা নিয়ে ফাইজুল এবং ইভার বড় ভাই আরিফ ও সুজনের মধ্যে বিভিন্ন সময় তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। সুজনকে হত্যার ৭ থেকে ৮ দিন আগে ফাইজুল সুজনকে মারধর করে। ২০১১ সালের ৩ মার্চ আরিফুল হক, ফাইজুল তাদের বন্ধু কুটি ও কালা বাবু ইভাদের বাসার সামনে মাঠে বসে সুজনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১১ সালের ১৪ মার্চ সন্ধ্যায় আরিফ, কালা বাবু, ফাইজুল ও কুটি একটি পলিথিন ব্যাগ ও লাঠি নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। এরপর কুটি ভিকটিম সুজনকে ডেকে আনে খালপাড় বালুর মাঠে। বিভিন্ন কথাবার্তার একপর্যায় ফাইজুল সুজনকে পিছন থেকে হাত দুইটি আটকে ধরে। কুটি পলিথিন ব্যাগ নিয়ে সুজনের মাথার উপর থেকে গলায় ঢুকিয়ে দিয়েই গলার মধ্যে পেচ দিয়ে গিট দিয়ে ফেলে। পরে সবাই মিলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে সুজনকে হত্যা করে মরদেহ পাশেই খালে ফেলে দেয়।
তিনি আরো বলেন, কুটি এবং কালা বাবু খালের নিচে নেমে সুজনের মরদেহ পানিতে ভাসিয়ে দেয়। গত ২০১১ সালের ১৮ মার্চ সুজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সুজনের বাবার দায়ের করা মামলাটি প্রথমে সবুজবাগ থানা পুলিশ ও পরবর্তীতে ডিবি ডিএমপি ঢাকা দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর তদন্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তারপরও ঘটনার প্রকৃত রহস্য ও ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত পলাতক আসামি আছমা আক্তার ইভা, মো. আরিফুল হক ওরফে আরিফ ও মো. রানা ওরফে বাবু গ্রেফতার না হওয়ায় এবং পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়। অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে ভিকটিমের বাবা না-রাজির আবেদন করেন। পরে বিজ্ঞ আদালত পিবিআইকে মামলাটি তদন্ত করার নির্দেশ দেন। তদন্তভার পাওয়ার পর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে পিবিআই।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক
























