ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৮ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ২০:২১, ১৯ আগস্ট ২০২০

ব্রেক্সিট সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

ছবি: আইনিউজ

ছবি: আইনিউজ

ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও ২০২৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে পণ্য রফতানিতে বাংলাদেশ শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। 

তবে আরো বেশি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুবিধা পেতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে সংলাপ আয়োজন, বাণিজ্য সংগঠনগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, করোনা-উত্তর বাণিজ্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কেট স্ট্রাটিজি প্রণয়ন জরুরি বলে মনে করেন তিনি।  

বুধবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘যুক্তরাজ্যের সাথে বাণিজ্য এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।   

ডিসিসিআই এর সভাপতি শামস মাহমুদের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন এবং যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান। আলোচনায় অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) শরীফা খান, ডিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি হোসেন খালেদ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহীম প্রমুখ।  

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বেশ সম্ভাবনাময়। ব্রিটিশ তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে, যা তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের অবস্থান দ্বিতীয়। ২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত প্রায় ২০০টি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ২.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩.৪৫ বিলিয়ন মূল্যের পণ্য যুক্তরাজ্যে রফতানি করেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের এর পরিমাণ ছিল ৪.৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ডিসিসিআই এর সভাপতি শামস মাহমুদ ব্রিটিশ বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, এজন্য নতুন পণ্য উদ্ভাবন এবং পণ্যের বহুমুখীকরণ জরুরি।

দেশের অবকাঠামো খাতের বড় প্রকল্পগুলোতে যুক্তরাজ‌্যের বিনিয়োগ আকর্ষণে ‘ইনফ্রাস্ট্রাকচার বন্ড’ চালুর প্রস্তাব করেন তিনি। 

যুক্তারাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেন, ব্রিটিশ বাণিজ্য সংগঠনগুলো বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য খাত বিষয়ে খুব বেশি অবগত নয়। এ অবস্থা উত্তরণে চেম্বার ও অ‌্যাসোসিয়েশনগুলোকে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ব্রিটেনে হালাল এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ‌্যের বিশাল বাজার আছে। উদ্যোক্তারা এ সুযোগ নিয়ে আরো বেশি পণ্য যুক্তরাজ্যে রফতানি করতে পারেন।

যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়