ঢাকা, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:২৮, ২৩ অক্টোবর ২০২০

জাতিসংঘকে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানের তথ্য দিলো বাংলাদেশ

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বঙ্গোপসাগরে বর্ধিত মহীসোপানে সীমা সংক্রান্ত সংশোধিত তথ্য-উপাত্ত জাতিসংঘের কাছে জমা দিয়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের সমুদ্র আইন ও সমুদ্র বিষয়ক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক দিমিত্রি গংচারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মহীসোপান সীমা সংক্রান্ত সংশোধিত সব তথ্যাদি হস্তান্তর করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

শুক্রবার জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশের উপস্থাপিত সংশোধনীটি যাতে ‘জাতিসংঘের মহীসোপান সীমা- বিষয়ক কমিশন’-এর পরবর্তী অধিবেশনের কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তা নিয়ে বাংলাদেশের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন রাবাব ফাতিমা। মহীসোপানের সীমা নির্ধারণ চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশ তার সীমানার সমুদ্র তলদেশের খনিজ সম্পদ আহরণ-ব্যবহারের সুযোগ পাবে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

এর আগে ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের মহীসোপান সীমা- বিষয়ক কমিশনে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সীমা- সংক্রান্ত মূল তথ্যগুলো জমা দিয়েছিল বাংলাদেশ।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক মামলায় যথাক্রমে ২০১২ ও ২০১৪ সালের ঐতিহাসিক রায়ে বাংলাদেশ জয়লাভ করে। এতে বঙ্গোপসাগরে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ চূড়ান্ত হয়। আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত এই সাফল্যের বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গোপসাগরে মহীসোপান সীমা– সংক্রান্ত তথ্য সংশোধন করা হলো।

নিয়মানুযায়ী জাতিসংঘের মহীসোপান সীমা- বিষয়ক কমিশন বাংলাদেশের দাখিল করা এসব তথ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য একটি উপ-কমিটি গঠন করবে এবং পরে সন্তুষ্টি সাপেক্ষে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের মহীসোপান সীমা নির্ধারণে চূড়ান্ত সুপারিশমালা দেবে।  

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমুদ্র বিষয়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দল মহীসোপান সীমা সংশোধনী বিষয়ক সব দলিল তৈরি করে।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়