ঢাকা, শুক্রবার ২৮ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৩ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:১৭, ১১ ডিসেম্বর ২০২০
আপডেট: ১৪:৩৩, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

পদ্মা সেতু দেখতে হবে ইংরেজি ‘এস’ বর্ণের মতো

পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু

স্বপ্নের পদ্মা সেতু দূর থেকে দেখতে মনে হবে অনেকটা ইংরেজি ‘এস’ বর্ণের মতো। এর পেছনে কারণটা কি? জানা যাক সে উত্তর।

কর্তৃপক্ষ বলছে, ইংরেজি ‘এস’ আকৃতির হলে সেতুর সৌন্দর্য বাড়বে। দূর থেকে দেখতে সুন্দর দেখাবে। সেতুতে যাত্রীরা ওঠার পর মুগ্ধতার মধ্যে থাকবে।

তবে মূল বিষয় হলো- সেতু সোজা হলে রাতে যানবাহনের চালকের ঝিমুনি আসতে পারে। তাঁরা যেন চলার সময় সতর্ক থাকেন, এ জন্য কিছুটা বাঁক দেওয়া হয়েছে। সাধারণত বেশি দৈর্ঘ্যের সেতু একটু বাঁকানো আকৃতিতে তৈরি করা হয়।

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জের সাথে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্য পদ্মা সেতু হতে যাচ্ছে এর ইতিহাসের একটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প।

উইকিপিডিয়ায় ১৭ ঘন্টা আগে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী- দুই স্তর বিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাস ব্রিজটির (truss bridge) ওপরের স্তরে থাকবে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরটিতে থাকবে একটি একক রেলপথ। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর আববাহিকায় ১৫০মিটার দৈর্ঘ্যর ৪১টি স্পান বসবে, ৬.১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.১০ মিটার প্রস্থ পরিকল্পনায় নির্মিত হচ্ছে দেশটির সবচেয়ে বড় সেতু। 

পদ্মা সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি জানিয়েছে, পদ্মা সেতু যান চলাচলের উপযোগী হতে ২০২২ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত লেগে যাবে।

প্রসঙ্গত, ১০ ডিসেম্বর ৪১তম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়েছে বাঙালির স্বপ্নের পদ্মা সেতু। বিজয়ের মাসেই পুরো সেতু দৃশ্যমান হওয়ায় পদ্মা জয়ের স্বপ্নপূরণ হয়েছে।

পদ্মা সেতু পুরো বিশ্বকেই টাক লাগিয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। সরকার আশা করছে, ২০২১ সালের বিজয় দিবসের আগেই সেতুর সম্পূর্ণ নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এরপর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে সারাদেশের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হওয়ার পথ উন্মুক্ত হবে।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়