ঢাকা, শুক্রবার ২৮ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৩ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৫৫, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

আবরারের মৃত্যু: অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ২৬ জানুয়ারি

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশের নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিন এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। তবে হাইকোর্ট মতিউর রহমানের ক্ষেত্রে মামলাটি ছয় মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ  থাকায় তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। এরপর আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ দিন ধার্য করেন। 

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে গত ১২ নভেম্বর প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলা থেকে ‘কিশোর আলোর’ সম্পাদক ও লেখক আনিসুল হককে অব্যহতি দেন। এ সময় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। 

২০১৯ সালের ১ নভেম্বর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কিশোরদের মাসিক সাময়িকী কিশোর আলোর বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে নাইমুল আবরার যান। অনুষ্ঠান চলাকালে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবরার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। অনুষ্ঠানের জন্য যে বিদ্যুৎসংযোগ স্থাপন করা হয় তা অরক্ষিত ছিল। ঘটনাস্থলের খুব কাছে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থাকলেও আবরারকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে নেয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, নাইমুল আবরার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টায়। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন ৪টা ৫১ মিনিটে। আবরারের মৃত্যুর সংবাদ গোপন করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান চালিয়ে যায় কিশোর আলো এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ আবরারের মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়নি। আবরারের পরিবার এক সহপাঠীর মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর পায়। এটি পরিকল্পিত এবং গাফিলতি ও অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড। 

পরে আদালত আবরারের মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যু এবং আদালতে দাখিল করা অবহেলাজনিত মৃত্যুর মামলা তদন্ত করতে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত। ১০ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল আলীম মামলাটি তদন্ত করে ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। 

এ প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জামিন নেন। এ ঘটনায় গত বছরের ৬ নভেম্বর আবরারের বাবা মো. মুজিবুর রহমান প্রথম আলো সম্পাদকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।  

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়