নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২২:১৪, ২৪ মার্চ ২০২১
বাংলাদেশ আমার ‘সেকেন্ড হোম’: লোটে শেরিং
বাংলাদেশকে নিজের 'সেকেন্ড হোম' ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মায়ের মতো’ উল্লেখ করে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং বলেছেন, গর্বিত বুকে বিশ্বকে বলার মতো গল্প বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে দিয়ে গেছেন।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘মুজিব চিরন্তন’ শীর্ষক ১০ দিনের আয়োজনের অষ্টম দিনের আয়োজনে বুধবার সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে লোটে শেরিং বাংলাদেশ-ভুটান কূটনৈতিক সম্পর্কর ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত ডাকটিকিট তুলে দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত এক দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক। ৫০ বছর ধরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিবার বাংলাদেশে আসার সময় নিজের ‘সেকেন্ড হোম’ বলে মনে হয়।’
শেখ হাসিনাকে মায়ের চোখে দেখার কথা জানিয়ে লোটে শেরিং বলেন, ‘এই দেশের মানুষের সৌভাগ্য যে তারা শেখ হাসিনার মতো একজন নেতা পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পিতার স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা এবং তার সরকার কোভিড পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করছে।’
তিনি বলেন, “আজকে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী এবং এমন একটি দেশের ৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপন করছি, যেটার জন্য তিনি পুরো জীবন ব্যয় করেছেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, অন্যকে বলার মতো একটি গল্প প্রত্যেক মানুষ ও জাতির অবশ্যই থাকা উচিত। বিশ্বের সব মানুষকে বলার মতো একটি চমৎকার গল্প বাংলাদেশকে দিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
লোটে শেরিং বলেন, ভুটানের রাজা যেভাবে সুখী মানুষের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন, ঠিক একইভাবে স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বক্তৃতার শেষে তিনি অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা পঙ্ক্তি থেকে উচ্চারণ করেন, ‘যত দিন রবে পদ্মা মেঘনা যমুনা বহমান, তত দিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান...।’
সভাপতির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ভুটানের স্বীকৃতি দেওয়ার দিনটির কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণের আগেই রেডিওতে ভুটানের স্বীকৃতি দেওয়ার খবর শোনাটি ছিল অনন্য এক মুহূর্ত। ভারতে বাংলাদেশের শরণার্থীদের প্রতি ভুটানের স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ভুটান বাংলাদেশের প্রাচীন বন্ধু। দুই দেশ একে অপরের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। শিক্ষা, বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ছে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনার বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি শুধু ভুটানের না, তিনি বাংলাদেশেরও।
আইনিউজ/এসডিপি
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক























