ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১০ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:০৯, ২৮ মার্চ ২০২১
আপডেট: ১৩:১৭, ২৮ মার্চ ২০২১

উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলা পরিষদ, আ.লীগ কার্যালয়, প্রেসক্লাবে আগুন

গাছের গুড়িতে আগুন ধরিয়ে সড়ক অবরোধ

গাছের গুড়িতে আগুন ধরিয়ে সড়ক অবরোধ

হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উত্তাল হয়ে আছে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন স্থানে মিছিল, অবরোধ করতে দেখা যাচ্ছে হরতাল সমর্থকদের।

রোববার (২৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে হরতাল সমর্থকরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়, জেলা পরিষদ ভবন স্থানীয় প্রেস ক্লাবে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ করেছে।

ছাড়াও তারা প্রেস ক্লাবে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর মাথায় ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন।

সকাল থেকেই হেফাজতকর্মীরা শহরের প্রধান সড়কে (টিএ রোড) বৈদ্যুতিক খুঁটি ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। ছাড়া হরতালের কারণে শহরের সকল দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

জেলা সদর থেকে দূরপাল্লার কোনো বাসও ছেড়ে যেতে পারেনি।

হরতালের সমর্থনে সকাল ৮টার দিকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা শহরে মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা সাজিদুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতি মুকারকউল্লাহ শিক্ষা সচিব শামছুল হক।

এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম স্থানীয় বাসিন্দারা শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে সদর উপজেলার নন্দনপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। সময় মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশ বিজিবি সদস্যদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এক পর্যায়ে মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশ বিজিবি সদস্যদের সংঘর্ষ বাধে। ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করে। এর কিছুক্ষণ পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।

নিহতদের ব্যাপারে পুলিশের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা রানা নুরুস শামস ওই পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়