ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১০ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩১, ২৯ মার্চ ২০২১
আপডেট: ২১:৩১, ২৯ মার্চ ২০২১

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত

শবে বরাত উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত

শবে বরাত উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা এবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

সোমবার (২৯ মার্চ) পবিত্র ‘শবে বরাতের  গুরুত্ব ও তাৎপর্য ’ শীর্ষক ওয়াজ মাহফিল শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বাদ এশা দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়েছে।

এশার নামাজের পর দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান।

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বিকেল থেকে বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন মসজিদে। মাওলানা মিজানুর রহমান মুসলিম উম্মার মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন। দোয়া ও মোনাজাতে মুসল্লিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

আলোচনা ও দোয়া মোনাজাত শেষে জিকির শুরু হয়। পরে ধীরে ধীরে মুসল্লিরা যার যার গন্তব্যস্থলের উদ্দেশে যাত্রা করেন। তবে যারা রাত্রিকালীন ইবাদত করবে তাদের জন্য জাতীয় মসজিদ উন্মুক্ত থাকবে বলে জানা যায়।

শাবান মাসের ১৪ তারিখের এ রাতকে মুক্তির রাত বা নাজাতের রাত হিসেবে অবহিত করা হয়। এ রাতে সৃষ্টিকর্তার আছে পাপ থেকে মুক্তি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।

২০২১ সালের ছুটির বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, ১৫ মার্চ শাবান মাস শুরু ধরে ২৯ মার্চ শবে বরাতের সরকারি ছুটি নির্ধারিত ছিল। সাধারণত শবে বরাতের পরের দিন সরকারি ছুটি থাকে। কিন্তু এবার রজব মাস ৩০ দিনে শেষ হয় এবং শাবান মাস শুরু হয় গত ১৬ মার্চ। সেই হিসাবে এবার শবে বরাতের রাত হবে ২৯ মার্চ। এ জন্য শবে বরাতের ছুটি পুনর্নির্ধারণ করে ৩০ মার্চ করা হয়।

লাইলাতুল বরাত

শবে বরাত (আরবি: ليلة البراءة‎, প্রতিবর্ণী. লাইলাতুল বরাত‎) বা মধ্য-শা'বান (আরবি: نصف شعبان‎, প্রতিবর্ণী. Niṣf Sha‘bān‎) হচ্ছে আরবি শা'বান মাসের ১৫ তারিখে পালিত একটি পূণ্যময় রাত। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মুসলমানগণ বিভিন্ন কারণে এটি পালন করেন। এই রাতকে লাইলাতুল বরাত বলা হয়। এই রাতকে আরবিতে 'লাইলাতুল বারাআত' বলা হয়। 'বারাআত' নামক আরবি শব্দটির অর্থ নিষ্কৃতি। মুসলমানদের বিশ্বাস মতে, এ রাতে বহু সংখ্যক বান্দা আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও আশীর্বাদ লাভ করে জাহন্নাম থেকে নিষ্কৃতি লাভ করেন। তাই, এ রজনীকে আরবিতে 'লাইলাতুল বারাআত' বা 'নিষ্কৃতির রজনী' বলা হয়।

এই বিশেষ রাতের ব্যাপারে কুরআনে সরাসরি কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না। তবে, সিহাহ সিত্তাহ বা বিশুদ্ধ ছয়খানা হাদিস গ্রন্থের কোনো কোনো হাদিসে এই রাতের বিশেষত্ব নির্দেশক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য হাদিস গ্রন্থেও এই রাতের বিশেষত্বের উল্লেখ পাওয়া যায়।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়