ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৪৯, ৫ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ১৩:০২, ৫ এপ্রিল ২০২১

রাজধানীতে লকডাউনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় লকডাউন তথা কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

তারা বলেন, যেখানে বেশিরভাগ যানবাহন চলছে, অফিস-কারখানা-বইমেলা খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তাহলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান-মার্কেট খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হোক।

এর আগে রবিবারও ঢাকার নিউমার্কেট, গাউছিয়া ও নীলক্ষেত, মিরপুর, উত্তরার দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা দোকান খোলা রাখার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় তারা সড়ক অবরোধ করে মিছিল ও সমাবেশ করেন।

নিউমার্কেটের একজন ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সারা বছরের ব্যবসা হয় এই সময়ে, ঈদের আগের দুই মাসে। গত বছর আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। এবারও যদি এই সময় মার্কেট বন্ধ থাকে, তাহলে তো আমাদের পথে বসে যেতে হবে।’

তিনি দাবি করেন, বিশেষ বিবেচনায় শিল্প-কারখানা চালু রাখা হয়েছে। সেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখারও সুযোগ দেওয়া হোক।

এ বিষয়ে ডিএমপির নিউ মার্কেট অঞ্চলের এডিসি ইহসানুল ফেরদৌস জানান, ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক আছে।

সংক্রমণ মোকাবিলায় দেশে আবারও শুরু হলো এক সপ্তাহের ‘লকডাউন’। করোনা সংক্রমণ শুরুর এক বছরের মাথায় অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই দ্বিতীয়বার ‘লকডাউন’ হলো সারাদেশ।

সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে কার্যকর হওয়া হওয়া এ ‘লকডাউন’ চলবে আগামী ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত। আগের দিন লকডাউনের খবর প্রচারের পরপরই মানুষের মধ্যে ঢাকা ছাড়ার হিড়িক পড়ে যায়। দীর্ঘ যানজটে দুর্ভোগে পড়তে হয় তাদের।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ করোনাভাইরাসের এই ‘দ্বিতীয় দফা’য় আক্রমণ ঠেকাতে নাগরিকদের জন্য কিছু বিষয়ে কড়াকড়ি বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা চূড়ান্ত করেছে সরকার।

এছাড়াও সরকার করোনা প্রতিরোধ করতে  লক্ষ্মীপুর-২ এবং সব ইউপি নির্বাচন স্থগিত করেছে । এছাড়াও আগামী ১১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনের সকল টিকেট বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সংশোধনীও এসেছে ট্রেনে।

এছাড়াও, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের যেকোনো দেশ থেকে ফিরলেই যাত্রীদের সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার বা সরকার নির্ধারিত আবাসিক হোটেলে (নিজ খরচে) ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সর্বশেষ, করোনা রোধ করতে জেলখানায় বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের দেখা- সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে। দেশের ৬৮টি কারাগারে অধিদপ্তর থেকে বিশেষ বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।

শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: মোমিনুর রহমান মামুন এ তথ্য জানান।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়