নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ১২:৪৬, ১৬ এপ্রিল ২০২১
অলিগলিতে বসেছে দোকানপাট, চলছে প্রশাসনের সাথে লুকোচুরি
সংগৃহীত ছবি
দেশব্যাপী আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকা করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার কমাতে দেওয়া হয়েছে কঠোর লকডাউন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই সর্বাত্মক লকডাউনের তৃতীয় দিনেও কঠোর অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে র্যাব, পুলিশবাহিনীকে। তবে অলিগলিগুলোতে বসেছে দোকানপাট, চলছে প্রশাসনের সাথে লুকোচুরি।
শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) সকাল থেকে প্রধান প্রধান সড়কগুলোকে ফাঁকা দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট, কঠোর অবস্থানে দেখা যাচ্ছে পুলিশবাহিনী ও র্যাবকে। তবে প্রধান সড়কের কঠোর লকডাউন কিছুটা হলেও শিথিল হয়ে আসছে তুলনামূলক ছোট সড়কগুলোতে।
ছোট সড়কগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অলিগলিতে দেখা যাচ্ছে চালু হয়েছে দোকানপাট। বসতে দেখা যায় কাঁচামাল, মাছসহ নিত্যপণ্যের পসরা। সেখানে জটলা করে কেনাকাটায় ব্যস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে রাজধানীর ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড, শুক্রাবাদ গলি এবং মোহাম্মদপুর এর বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকে ছোট ছোট মুদি, চায়ের দোকান এবং ভ্রাম্যমান অনেক গুলো দোকান খোলা থাকতে দেখা গেছে। দেখা গেছে লোক সমাগম।
পুলিশ দোকান বসাতে নিষেধ করলেও তা মানছে না দোকাননিরা। কয়েক জায়গায় দেখা গেছে পুলিশ এসে দোকান বন্ধ করে দিয়ে গেছে। এমনকি দোকান ভেঙে দিয়ে গেছে। পুলিশ চলে যাওয়ার পরে আবার দোকান খুলে বসছেন দোকানিরা।
এ বিষয়ে দোকানদাররা বলছেন, বাধ্য হয়ে দোকান নিয়ে বসতে হচ্ছে। বেচা-বিক্রি না হলে না খেয়ে থাকতে হবে।
বেশিরভাগ এলাকায় প্রধান সড়কের দোকানগুলো বন্ধ থাকলেও গলির ভেতরের দোকান দিব্যি খোলা। ক্রেতারাও দলবেঁধে দোকানের সামনে বসে আছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। চলছে জমজমাট আড্ডা।
ইন্দিরা রোডে চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা আকবর আলী বলেন, লকডাউন প্রথম দিন একটু বেশি ছিল এখন কমে গেছে। সকালবেলা পুলিশ একটু ঝামেলা করে বিকেল হলেই সব আগের মতই চলে। সবারই তো চলতে হবে। এই লকডাউনে মানুষ চলাচল করছেই, শুধু নিম্নবিত্ত মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে।
দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, পুলিশ প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত কঠোর অবস্থানে আছে এবং থাকবে। বিনা প্রয়োজনে কাউকে রাস্তায় বের হতে দেয়া হচ্ছে না। সব চায়ের দোকান, স্টল বন্ধ। গলির ভেতরে কিছু কিছু দোকান খোলা আছে, যা পুলিশ দেখলেই তারা আবার বন্ধ করে দেয়। অলি-গলির ভেতরে কিছু দোকান খোলা রাখে। তবে আমরা সব জায়গাতেই টহল দেব।
উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিল থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন জারি করেছে সরকার। ১৪ এপ্রিল থেকে জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কঠোর অবস্থানে আছে পুলিশ প্রশাসনও।
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর সোমবার (১২ এপ্রিল) এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি অফিস এবং গণপরিবহন বন্ধ রাখাসহ ১৩ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে শিল্প কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।
আইনিউজ/এসডি
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক





















