ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:০৯, ২২ মে ২০২১
আপডেট: ১৮:২১, ২২ মে ২০২১

যুক্তরাজ্যের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন

দেশে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় করোনার টিকাদান কর্মসূচি। কিন্তু ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত টিকা আনার জন্য দুই দেশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। অগ্রিম টাকাও পরিশোধ করে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারত টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ।

এমন অবস্থায় বাংলাদেশ সরকার টিকার জন্য দ্বারস্থ হয় যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার প্রতি। এবার সেই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাজ্যের কাছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ টিকা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

যুক্তরাজ্যের টেলিভিশন আইটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টিকা চাওয়ার বিষয়ে এ কথা বলেন তিনি।

আইটিভি দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশের টিকা পরিস্থিতিকে ‘সংকটজনক’ বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা টিকা পেতে মরিয়া।’

টিকা সংকটের কারণে বাংলাদেশের প্রায় ১৬ লাখ মানুষকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ সরকার সরাসরি যুক্তরাজ্য সরকারের কাছ থেকে এই পরিমাণ টিকা চেয়েছে। কিন্তু তাদের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা নেই বলে বাংলাদেশের এই আবেদন খারিজ করেছে ব্রিটিশ সরকার।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যুক্তরাজ্য সরকার চেষ্টা করলে এই পরিমাণ টিকার ব্যবস্থা করতে পারবে। আমরা মনে করি, তাদের সেই সামর্থ্য আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক টিকা চাইছি না। আমরা শুধু অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ ডোজ চাইছি। যে টিকা যুক্তরাজ্যের আছে।’

উল্লেখ্য, ভারতের সাথে চুক্তি অনুসারে ৩ কোটি ডোজের প্রতিমাসে ৫০ লাখ ডোজ করে বাংলাদেশের পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ৭০ লাখ টিকা এসেছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলে সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সেরাম। শেষ পর্যন্ত টিকা সংকটে বন্ধ হয়ে যায় দেশের টিকাদান কর্মসূচি।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়