ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:৩৮, ২৪ মে ২০২১
আপডেট: ০০:০৯, ২৫ মে ২০২১

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির মামলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

দিনাজপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলার বিচার ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।  এছাড়া এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চের এ সংক্রান্ত ৬৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত  হয়।

এতে মামলায় নাম থাকা বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার আমিনুল হকের (২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল মারা যান) ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম বাতিল প্রশ্নে দেওয়া রুল খারিজ করে এ রায় দিয়েছে হাইকোর্ট।

এতে বলা হয়, রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে এ  মামলার বিচারকাজ নিষ্পত্তি করতে হবে। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ নিয়ে সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিল হাইকোর্টের এ বেঞ্চ।

হাইকোর্টের আদেশে এত দিন মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত ছিল এবং পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হওয়ায় এর বিচার কার্যক্রম চলতে বাধা নেই বলে জানান এ মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গত বছরের ২৪ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামসুল আলমের পক্ষে দুদক দিনাজপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমান আদালতে সাবেক ৭ জন ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২৩ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন এবং আদালত গত বছরের ১৫ অক্টোবর চার্জশিট আমলে নেন। এদের মধ্যে সাবেক এমডি মো. মাহবুবুর রহমান মারা যাওয়ায় বর্তমানে এ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ২২ জন।

চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত (মেয়াদে) বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ঘাটতিকৃত ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯৯ মেট্রিক টন কয়লা আত্মসাতে জড়িত। যার বাজার মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা। আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির পক্ষে ম্যানেজার (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেছিলেন। ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় দুদককে। দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামসুল আলম এ তদন্ত শেষে চার্জশিট তৈরি করেন।

চার্জশিটে এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জনকে আসামি করা হয়। এছাড়া তদন্তে নতুন করে ৭ জন সাবেক এমডিসহ ৯ জনের নাম বেরিয়ে আসে। এ নিয়ে চার্জশিটে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। কিন্তু একজন সাবেক এমডি মারা যাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে বর্তমানে এ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ২২ জন।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়