ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:১৭, ২৮ মে ২০২১
আপডেট: ২১:৩৪, ২৮ মে ২০২১

আরও ‘কয়েকটি’ জেলায় লকডাউনের পরিকল্পনা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে সরকারের বিধিনিষেধ না মেনে শপিং করা ও গ্রামের বাড়ি যাওয়ায় ঈদ পরবর্তী সময়ে করোনা সংক্রমণ বাড়ার যে আশঙ্কা করা হয়েছিলো সেটাই ঘটতে চলছে। ইতোমধ্যে ঈদের পর আবারও সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে। তবে এ সংক্রমণ বেশি বাড়ছে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায়।

একইসাথে মহামারীর এ শঙ্কা আরও বাড়াচ্ছে ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি ও তাদের শরীরে পাওয়া ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট। তবে দেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি আরো অবনতি হলে ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি জেলায় লকডাউন দেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশীদ আলম বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘সংক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে লকডাউন দেয়া হয়েছে। এ পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে দেশের কয়েকটি জেলায় লকডাউন দেয়া হতে পারে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও খুলনা পর্যবেক্ষণে আছে।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উপরে করা একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৭ থেকে ২৩ মে এই এক সপ্তাহে আগের সপ্তাহের (১০ থেকে ১৬ মে) তুলনায় ২২টি জেলায় নতুন রোগী বৃদ্ধির হার শতভাগ বা তার বেশি ছিল। এগুলোর মধ্যে ১৫টি জেলাই সীমান্তবর্তী। এই জেলাগুলোর মধ্যে ৯টির প্রতিটিতে এক সপ্তাহে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫০ এর নিচে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঈদের পর সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি। আক্রান্তদের কারো কারো সম্প্রতি ভারত সফরের ইতিহাস আছে।

এর আগে শুক্রবার (২৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, সংক্রমণের হার টেনে ধরতে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হলে সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও খুলনাতেও লকডাউনের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশীদ তিনি বলেন, আমরা যখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা লকডাউন ঘোষণা করি, তখন ওই জেলায় সংক্রমণের হার ছিল ৪০ শতাংশের ওপরে। আর অন্য জেলাগুলোতে এখনো সংক্রমণ অনেক নিচে। তবে যদি বাড়তে থাকে এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেওয়া হবে। 

উল্লেখ্য, ১৭ থেকে ২৩ মে— এই এক সপ্তাহের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে, আগের সপ্তাহের (১০ থেকে ১৬ মে) তুলনায় ২২টি জেলায় নতুন রোগী বৃদ্ধির হার শতভাগ বা তার বেশি ছিল। এগুলোর মধ্যে ১৫টি জেলাই সীমান্তবর্তী। এই জেলাগুলোর মধ্যে ৯টির প্রতিটিতে এক সপ্তাহে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পঞ্চাশের নিচে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলোজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ঈদের পরে চাপাইনবাবগঞ্জসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় আবারও সংক্রমণ বাড়ছে।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়