ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৩৫, ১ জুন ২০২১
আপডেট: ১৬:৫৫, ১ জুন ২০২১

ডা. সাবিরার লাশ উদ্ধার: ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি

রাজধানীর কলাবাগান থেকে ডা. কাজী সাবিরা রহমান লিপির (৪৭) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় রাজধানীর কলাবাগান থানায় যোগাযোগ করা হলে পুলিশ জানায়, মামলার সব প্রক্রিয়া শেষ হলেও নিহতের পরিবারের কেউ এখনও মামলা করতে আসেননি।

থানার ডিউটি অফিসার সাব ইন্সপেক্টর সাইদুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, এখনও মামলা হয়নি। বাদীর পরিবারের কেউ থানায় আসেনি।

নিউ মার্কেট-কলাবাগান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শরীফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান জানান, নিহতের পরিবার বাদী হয়ে মামলা করবে।  তবে এখন পর্যন্ত পরিবারের কেউ থানায় মামলা করতে আসেননি।

চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান লিপি হত্যার শিকার হয়েছেন ধরেই তদন্ত করছে রমনা বিভাগ পুলিশ ও রমনা গোয়েন্দা পুলিশ।

নিহতের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্য থেকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও ছয়-সাত জনকে হেফাজতে নিয়েছে ডিবি পুলিশ।

এর আগে সোমবার দুপুরেকলাবাগানের ৫০/১ ফাস্ট লেনের বাড়ির নিজ ঘর থেকে ডা. সাবিরা রহমান লিপির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি গ্রিন লাইফ হাসপাতালের রেডিওলোজি বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন।  

পুলিশের ধারণা, তাকে (সাবিরা) হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ সময় বাইরে থেকে আসা একই ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দা কানিজ সুবর্ণার কাছে থাকা চাবি নিয়ে পরে ফ্ল্যাটের প্রধান ফটক খোলা হয়। এরপর ডাক্তার সাবিরা রহমান লিপির রুম ভেতর থেকে বন্ধ পেয়ে দরজা ভাঙা হয়।

এ সময় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন কক্ষের ভেতরে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সাবিরাকে।

পুলিশ জানায়, সাবিরার শরীরের পেছনের দিকে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত রয়েছে। সম্ভবত ধারালো অস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতেই আগুনের নাটক সাজানো হয়।

এ ঘটনা তদন্তের স্বার্থে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাবলেটের বাসিন্দা কানিজ সুবর্ণা, তার এক ছেলে বন্ধু, বাড়ির কেয়ারটেকার রমজানসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়