ঢাকা, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৫৬, ২ জুন ২০২১
আপডেট: ২২:০৩, ২ জুন ২০২১

রাজধানীর যে চার কেন্দ্রে দেয়া হবে ফাইজারের টিকা

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ফাইজারের টিকা রাজধানীর চারটি কেন্দ্রে দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

সেগুলো হলো- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ভ্যাকসিনটির দুটো ডোজ গ্রহণ করতে হবে। প্রতি ডোজে শূন্য দশমিক ৩ এমএল সমপরিমাণ থাকবে, যা ২৮ দিনের ব্যবধানে প্রয়োগ করা হবে।

সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে যারা এ টিকার নিবন্ধন করবেন তাদের এ টিকা দেয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ইন্ট্রামাসকুলার ইনজেকশন অর্থাৎ বাহুর উপরের মাংসপেশিতে প্রয়োগ করতে হবে। সঠিকভাবে টিকা দিতে শূন্য দশমিক ৩ এমএল এডি সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।

যেহেতু ফাইজারের টিকা জমানো, জীবাণুমুক্ত, প্রিজারভেটিভ এবং এডজুভেন্ট মুক্ত, মাল্টি-ডোজ কন্সেট্রেট অর্থাৎ ঘনীভূত তাই মানবদেহে প্রয়োগের আগে অবশ্যই সংমিশ্রণ করতে হবে। এক্ষেত্রে এক ভায়ালের সঙ্গে ডাইলুয়েট মিশ্রণের পর ৬ ডোজ টিকা প্রস্তুত হবে। সংমিশ্রণের জন্য দুই এমএলের সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।

ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা গর্ভবতী মা এবং দুগ্ধদানকারী মায়েদের দেয়া যাবে না। সেই সঙ্গে যাদের এলার্জি প্রতিক্রিয়ার ইতিহাস (অ্যানাফাউল্যাক্সিস) আছে তাদের এ টিকা দেয়া যাবে না। আর প্রথম ডোজ দেয়ার পরে যদি এলার্জিক প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে তাহলে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া যাবে না।

এছাড়া কোনো ব্যক্তির শরীরে জ্বর থাকলে অর্থাৎ ৩৮.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি তাপমাত্রা থাকলে টিকা দেয়া যাবে না। এমনকি গ্রহীতার যদি কোভিড-১৯ রোগের লক্ষণ থাকলে সেরে না ওঠা পর্যন্ত টিকা দেয়া যাবে না। এছাড়া অসুস্থ ও হাসপাতালে ভর্তি ব্যক্তিকেও এ টিকা দেয়া যাবে না।

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়