আই নিউজ ডেস্ক
আন্তর্জাতিক দুধ দিবস আজ
প্রতিবছর ১লা জু দুধ দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।
আজ পহেলা জুন, প্রতিবছর জুন মাসের প্রথম তারিখ আন্তর্জাতিক দুধ দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। বৈশ্বিক খাদ্য হিসেবে দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ঘোষিত আন্তর্জাতিক দুগ্ধ দিবস আজ।
দেহের মধ্যে জৈবিক ক্রিয়া, বৃদ্ধি ও শরীর গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব উপাদান রয়েছে দুধে। প্রতি ১০০ গ্রাম দুধে গড়ে ৩.৪ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এছাড়াও প্রতি ১০০ গ্রাম দুধে রয়েছে ৪২ ক্যালরি শক্তি, শর্করা ১ গ্রাম, ফ্যাট ১ গ্রাম, কোলেস্টেরল ৫ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১২৫ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ৪৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৫০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৯৫ মিলিগ্রাম। স্বল্প ফ্যাটযুক্ত এবং ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় দুগ্ধজাতপণ্য সাধারণত রক্তচাপ কমায়। দিনে ২০০-৩০০ মিলি. দুধ গ্রহণে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে।
ক্যালসিয়াম, ফসফেট, ভিটামিন ডি ও প্রোটিন মানবদেহের মূল পুষ্টি উপাদান, যা পেশি ও হাড়ের গঠন ও গুণমানকে প্রভাবিত করে। বর্তমান যুবসমাজ কোমল পানীয় ছাড়া তাদের দৈনন্দিন জীবন কল্পনা করতে পারে না। কিন্তু কোমল পানীয় স্বাস্থ্যসম্মত নয়, এতে থাকা অতিরিক্ত চিনি বিষের মতো দেহের ক্ষতি করে। তাই এসব কোমল পানীয় পরিহার করে দুধ ও দুগ্ধজাতপণ্য গ্রহণ করা উচিত।
বৈশ্বিক খাদ্য হিসেবে দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্যে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ঘোষিত একটি আন্তর্জাতিক দিবস হচ্ছে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। ২০০১ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জুন দিবসটি পালিত হয়। দুগ্ধ দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বৈশ্বিক পুষ্টিতে দুধ অপরিহার্য’।
প্রাণিসম্পদ অধিদফতর বাংলাদেশের তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২১ অর্থবছরে দুধের চাহিদা ছিল ১ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার মেট্রিক টন (জনপ্রতি চাহিদা ২৫০ মিলি ধরে), যার বিপরীতে উৎপাদন ছিল ১ কোটি ৮০ হাজার মেট্রিক টন। ফলে জনপ্রতি দুধের প্রাপ্যতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৫ দশমিক ৬৩ মিলি।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার শিশুদের মস্তিষ্ক গঠনে সহায়তা করে। দুগ্ধজাত খাবার, যেমন পনির ও দই আদর্শগতভাবে স্বাস্থ্যকর এজিং প্রোডাক্ট হিসাবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা (২০১৫) অনুযায়ী, স্বাস্থ্যকর এজিং হলো কার্যকর ক্ষমতার বিকাশ এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার প্রক্রিয়া, যা বার্ধক্যে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। দুগ্ধজাত দ্রব্য বয়স্কদের জন্য পুষ্টি সরবরাহ করে, পেশির স্বাস্থ্য বজায় রাখে এবং বার্ধক্যজনিত পেশি ও হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাই দুগ্ধজাত খাদ্য বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য অতি প্রয়োজনীয় খাবার হিসাবে বিবেচিত।
বিশ্বব্যাপী দুগ্ধ খাতের উন্নয়নে আরো গবেষণার প্রয়োজন। বিশেষ করে আরো বেশি পুষ্টিকর দুগ্ধজাত খাবার (হেলদি ফাংশনাল ডেইরি ফুডস), সৃষ্টি করা প্রয়োজন, যা ভোক্তার হেলদি অ্যাজিংয়ে সহায়তা করবে। তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত নিয়মিত দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য গ্রহণ করে দেহের পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গঠন করা এবং বার্ধক্যে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।
আই নিউজ/এইচএ
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক

























