ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২:০৮, ১ আগস্ট ২০২০

পাঁচ হাজার টাকা ধার না দেওয়ায় প্রবাসী নারীকে খুন করে কালু

সিলেটের ওসমানীনগর থেকে শুক্রবার আমেনা বেগম (৭৫) নামে প্রবাসী এক বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় আব্দুল জলিল কালু (৩৯) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিটি পুলিশের কাছে জানিয়েছেন, পাঁচ হাজার টাকা ধার না দেওয়ায় খুন করেছিলেন সেই প্রবাসীকে। শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেন কালু। এরআগে শুক্রবার (৩১ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার গোয়ালাবাজারের হেলাল ভিলা (করনসী রোড) থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল জলিল কালু উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের নগরীকাপন গ্রামের মৃত আব্দুল কাছিমের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে গোয়ালাবাজারের করনসী রোডে বাসা ভাড়া নিয়ে বাস করছেন।

লাশ উদ্ধারের পর থেকে জড়িতদের ধরতে তৎপর হয়ে উঠে পুলিশ। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বণিকের নেতৃত্বে এসআই সুজিত চক্রবর্তীসহ পুলিশের একটি চৌকষ দল শুক্রবার দিনভর বিভিন্ন জায়গায় একাধিক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে শুক্রবার দিনগত রাত সোয়া ৩টার দিকে গোয়ালাবাজারস্থ হেলাল ভিলা (করনসী রোড) থেকে আব্দুল জলিল কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে কালু তাকে ৫ হাজার টাকা ধার না দেওয়ায় রহিমা বেগমকে গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এরপর শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশ তাকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রহিমা বেগমের খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন ও ২৮ জুলাই বিকেল ৫ টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি দা নিহতের রান্না ঘর থেকে উদ্ধার করে।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বণিক বলেন, আসামি আব্দুল জলিল কালু জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, টাকা ধার না দেওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে তিনি একাই প্রবাসী মহিলাকে গলা কেটে হত্যা করেছেন। ইতোমধ্যে খুনের আলামত জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি ২০০৭ সালের গোয়ালাবাজারের একটি হত্যা মামলারও আসামি। তিনি একাধিক খুনসহ চুরি, ডাকাতির সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।’

ওসমানীনগর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের কটালপুর গ্রামের মৃত আখলু মিয়ার স্ত্রী প্রবাসী রহিমা বেগমের চার সন্তানসহ পুরো পরিবার যুক্তরাজ্যে থাকেন। রহিমা বেগম এক বছর ধরে গোয়ালাবাজারের করনসী রোডে নিজস্ব বাসায় একা থাকতেন।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়